ঢাকা    বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
Advance News

খাবারের প্যাকেটে যে তথ্য দেখে ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন!



খাবারের প্যাকেটে যে তথ্য দেখে ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন!
খাবারের প্যাকেটে যে তথ্য দেখে ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন!

বাজারে গিয়ে খাবারের প্যাকেটে চোখে পড়ল ‘লো ফ্যাট’, ‘হাই ফাইবার’ কিংবা ‘প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি’ লেখা। স্বাস্থ্যসচেতন ক্রেতা হিসেবে পণ্যটি কিনতেই পারেন। কিন্তু প্যাকেটের গায়ে এমন দাবি থাকলেই কি খাবারটি সত্যিই স্বাস্থ্যকর?

গবেষণা বলছে, সব সময় তা নয়। কোনও খাবারে একটি উপাদান কম বা বেশি থাকলেই তার সামগ্রিক পুষ্টিমান ভালো হয়ে যায় না। অথচ প্যাকেটের গায়ে লেখা আকর্ষণীয় শব্দ দেখে অনেক সময় আমরা পুরো খাবারটি সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরি করি।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষকের একটি বিশ্লেষণ বলছে, দেশটির বাজারে প্যাকেটজাত খাবারের স্বাস্থ্য ও পুষ্টিসংক্রান্ত দাবি নিয়ে একটি গবেষণার ফল তুলে ধরা হয়েছে। গবেষকেরা দেখেছেন, প্যাকেটে ইতিবাচক দাবি থাকলেও অনেক খাবারের সামগ্রিক পুষ্টিমান ততটা ভালো নয়।

একটি উপাদান ভালো, পুরো খাবারও কি ভালো?

খাবারের প্যাকেটে নানা ধরনের দাবি থাকে। যেমন, ‘লো সোডিয়াম’, ‘লো ফ্যাট’, ‘হাই প্রোটিন’ কিংবা ‘হাই ফাইবার’। কিছু পণ্যে আবার লেখা থাকে ‘প্রাকৃতিক’ বা ‘প্রিজারভেটিভমুক্ত’।

এসব তথ্য কাজে লাগতে পারে। কিন্তু একটি উপাদান সম্পর্কে ইতিবাচক তথ্য জানলেই খাবারটির সব দিক ভালো, এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

গবেষকেরা খাবারের সামগ্রিক পুষ্টিমান যাচাই করতে ক্যালরি, চিনি, সোডিয়াম, সম্পৃক্ত চর্বি, আঁশ ও প্রোটিনের মতো বিষয় বিবেচনায় নিয়েছেন। পাশাপাশি ফল, সবজি ও বাদামের উপস্থিতিও দেখা হয়েছে।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, নতুন বাজারজাত পণ্যগুলোর অর্ধেকেরও বেশি প্যাকেটে স্বাস্থ্য বা পুষ্টি নিয়ে কোনও না কোনও দাবি ছিল। অথচ এসব দাবিযুক্ত পণ্যের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই ব্যবহৃত মূল্যায়ন পদ্ধতিতে ‘কম স্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

অর্থাৎ, প্যাকেটে স্বাস্থ্যকর হওয়ার দাবি থাকলেই খাবারটি সামগ্রিকভাবে স্বাস্থ্যকর—এমন নিশ্চয়তা নেই।

চিনি বেশি, তবু দাবি ‘লো সোডিয়াম’!

ধরা যাক, কোনও পানীয়ের প্যাকেটে লেখা আছে ‘লো সোডিয়াম’। তথ্যটি ঠিক হলেও পানীয়টিতে চিনির পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। আবার কোনও খাবারে ট্রান্স ফ্যাট কম থাকার দাবি থাকলেও তাতে প্রোটিন কম এবং সম্পৃক্ত চর্বি বা সোডিয়াম বেশি থাকতে পারে।

গবেষণায় এমন অসংগতি দেখা গেছে। অর্থাৎ, একটি উপাদানের ইতিবাচক দিক সামনে তুলে ধরলেও অন্য উপাদানগুলোর পরিমাণ সম্পর্কে ক্রেতা কিছুই জানতে পারছেন না।

এখানেই বিপত্তি। প্যাকেটের সামনের দিকের একটি দাবি দেখে খাবারটিকে ভালো ধরে নিলে তার পুষ্টিমান সম্পর্কে অসম্পূর্ণ ধারণা তৈরি হতে পারে।

‘প্রাকৃতিক’ মানেই কি স্বাস্থ্যকর?

‘প্রাকৃতিক’, ‘কৃত্রিম স্বাদবর্ধক নেই’ কিংবা ‘প্রিজারভেটিভমুক্ত’—এমন শব্দ দেখলে অনেকেরই মনে হয়, খাবারটি নিশ্চয়ই ভালো। কিন্তু এসব দাবি মূলত উপাদান বা উৎপাদনপ্রক্রিয়ার নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য বোঝায়। খাবারটিতে কতটা চিনি, লবণ বা চর্বি রয়েছে, তা এগুলো থেকে জানা যায় না।

মনোবিজ্ঞানে এ ধরনের প্রবণতাকে বলা হয় ‘হ্যালো ইফেক্ট’। কোনও ব্যক্তি বা বস্তুর একটি ভালো বৈশিষ্ট্য দেখে তার অন্য বৈশিষ্ট্য সম্পর্কেও ইতিবাচক ধারণা তৈরি হওয়াকে এ নামে চিহ্নিত করা হয়।

খাবারের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটতে পারে। প্যাকেটে ‘প্রাকৃতিক’ লেখা দেখে আমরা পুরো পণ্যটিকেই স্বাস্থ্যকর ভাবতে পারি, যদিও তার পুষ্টিমান তেমন ভালো নয়।

খাবার কেনার আগে কী দেখবেন?

প্যাকেটের সামনের দিকের দাবি একেবারে উপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। তবে শুধু ওই তথ্যের ওপর নির্ভর না করে পেছনে থাকা পুষ্টিমানসংক্রান্ত তালিকাটিও দেখে নেওয়া ভালো।

কেনার আগে কয়েকটি বিষয় খেয়াল করুন—

চিনি: খাবারটিতে মোট চিনি ও যোগ করা চিনির পরিমাণ কত?

সোডিয়াম: লবণের পরিমাণ কতটা?

সম্পৃক্ত চর্বি: অন্য পণ্যের তুলনায় এর পরিমাণ বেশি কি না।

প্রোটিন ও আঁশ: খাবারটিতে এসব উপাদান কতটা রয়েছে।

পরিবেশনের পরিমাণ: প্যাকেটে দেওয়া পুষ্টিমান পুরো প্যাকেটের জন্য, নাকি নির্দিষ্ট পরিমাণ খাবারের জন্য—তা মিলিয়ে দেখুন।

একই ধরনের দুটি পণ্য পাশাপাশি রেখে পুষ্টিমান তুলনা করলেও সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়। একটি পণ্যে ‘লো ফ্যাট’ লেখা আছে বলেই সেটি অন্যটির চেয়ে স্বাস্থ্যকর হবে, এমন নয়। চিনি, সোডিয়াম ও সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণও বিবেচনায় নিতে হবে।

তবে গবেষণাটির একটি সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এতে পণ্যের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে; এসব দাবি দেখে মানুষ বাস্তবে কী কিনছেন, তা সরাসরি পরীক্ষা করা হয়নি। তাই ফলাফল ব্যাখ্যা করার সময় বিষয়টি মাথায় রাখা জরুরি।

প্যাকেটের কথা নয়, পুষ্টির হিসাব দেখুন

খাবারের প্যাকেটে লেখা দাবি পণ্য সম্পর্কে কিছু তথ্য দেয়, কিন্তু পুরো চিত্র তুলে ধরে না। একটি উপাদান কম থাকা কিংবা কোনও উপকারী উপাদান বেশি থাকার অর্থ এই নয় যে খাবারটি সব দিক থেকেই ভালো।

তাই বাজারে খাবার কেনার সময় শুধু ‘প্রাকৃতিক’, ‘লো ফ্যাট’ কিংবা ‘হাই ফাইবার’ লেখা দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে পুষ্টিমান যাচাই করুন। একই ধরনের পণ্যের মধ্যে তুলনা করুন এবং নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিন।

মনে রাখবেন, প্যাকেটের গায়ে ‘স্বাস্থ্যকর’ লেখা থাকলেই খাবারটি স্বাস্থ্যকর হয়ে যায় না। আসল কথা লুকিয়ে থাকে তার পুষ্টির হিসাবেই।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Advance News

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬


খাবারের প্যাকেটে যে তথ্য দেখে ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন!

প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বাজারে গিয়ে খাবারের প্যাকেটে চোখে পড়ল ‘লো ফ্যাট’, ‘হাই ফাইবার’ কিংবা ‘প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি’ লেখা। স্বাস্থ্যসচেতন ক্রেতা হিসেবে পণ্যটি কিনতেই পারেন। কিন্তু প্যাকেটের গায়ে এমন দাবি থাকলেই কি খাবারটি সত্যিই স্বাস্থ্যকর?

গবেষণা বলছে, সব সময় তা নয়। কোনও খাবারে একটি উপাদান কম বা বেশি থাকলেই তার সামগ্রিক পুষ্টিমান ভালো হয়ে যায় না। অথচ প্যাকেটের গায়ে লেখা আকর্ষণীয় শব্দ দেখে অনেক সময় আমরা পুরো খাবারটি সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরি করি।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষকের একটি বিশ্লেষণ বলছে, দেশটির বাজারে প্যাকেটজাত খাবারের স্বাস্থ্য ও পুষ্টিসংক্রান্ত দাবি নিয়ে একটি গবেষণার ফল তুলে ধরা হয়েছে। গবেষকেরা দেখেছেন, প্যাকেটে ইতিবাচক দাবি থাকলেও অনেক খাবারের সামগ্রিক পুষ্টিমান ততটা ভালো নয়।

একটি উপাদান ভালো, পুরো খাবারও কি ভালো?

খাবারের প্যাকেটে নানা ধরনের দাবি থাকে। যেমন, ‘লো সোডিয়াম’, ‘লো ফ্যাট’, ‘হাই প্রোটিন’ কিংবা ‘হাই ফাইবার’। কিছু পণ্যে আবার লেখা থাকে ‘প্রাকৃতিক’ বা ‘প্রিজারভেটিভমুক্ত’।

এসব তথ্য কাজে লাগতে পারে। কিন্তু একটি উপাদান সম্পর্কে ইতিবাচক তথ্য জানলেই খাবারটির সব দিক ভালো, এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

গবেষকেরা খাবারের সামগ্রিক পুষ্টিমান যাচাই করতে ক্যালরি, চিনি, সোডিয়াম, সম্পৃক্ত চর্বি, আঁশ ও প্রোটিনের মতো বিষয় বিবেচনায় নিয়েছেন। পাশাপাশি ফল, সবজি ও বাদামের উপস্থিতিও দেখা হয়েছে।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, নতুন বাজারজাত পণ্যগুলোর অর্ধেকেরও বেশি প্যাকেটে স্বাস্থ্য বা পুষ্টি নিয়ে কোনও না কোনও দাবি ছিল। অথচ এসব দাবিযুক্ত পণ্যের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই ব্যবহৃত মূল্যায়ন পদ্ধতিতে ‘কম স্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

অর্থাৎ, প্যাকেটে স্বাস্থ্যকর হওয়ার দাবি থাকলেই খাবারটি সামগ্রিকভাবে স্বাস্থ্যকর—এমন নিশ্চয়তা নেই।

চিনি বেশি, তবু দাবি ‘লো সোডিয়াম’!

ধরা যাক, কোনও পানীয়ের প্যাকেটে লেখা আছে ‘লো সোডিয়াম’। তথ্যটি ঠিক হলেও পানীয়টিতে চিনির পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। আবার কোনও খাবারে ট্রান্স ফ্যাট কম থাকার দাবি থাকলেও তাতে প্রোটিন কম এবং সম্পৃক্ত চর্বি বা সোডিয়াম বেশি থাকতে পারে।

গবেষণায় এমন অসংগতি দেখা গেছে। অর্থাৎ, একটি উপাদানের ইতিবাচক দিক সামনে তুলে ধরলেও অন্য উপাদানগুলোর পরিমাণ সম্পর্কে ক্রেতা কিছুই জানতে পারছেন না।

এখানেই বিপত্তি। প্যাকেটের সামনের দিকের একটি দাবি দেখে খাবারটিকে ভালো ধরে নিলে তার পুষ্টিমান সম্পর্কে অসম্পূর্ণ ধারণা তৈরি হতে পারে।

‘প্রাকৃতিক’ মানেই কি স্বাস্থ্যকর?

‘প্রাকৃতিক’, ‘কৃত্রিম স্বাদবর্ধক নেই’ কিংবা ‘প্রিজারভেটিভমুক্ত’—এমন শব্দ দেখলে অনেকেরই মনে হয়, খাবারটি নিশ্চয়ই ভালো। কিন্তু এসব দাবি মূলত উপাদান বা উৎপাদনপ্রক্রিয়ার নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য বোঝায়। খাবারটিতে কতটা চিনি, লবণ বা চর্বি রয়েছে, তা এগুলো থেকে জানা যায় না।

মনোবিজ্ঞানে এ ধরনের প্রবণতাকে বলা হয় ‘হ্যালো ইফেক্ট’। কোনও ব্যক্তি বা বস্তুর একটি ভালো বৈশিষ্ট্য দেখে তার অন্য বৈশিষ্ট্য সম্পর্কেও ইতিবাচক ধারণা তৈরি হওয়াকে এ নামে চিহ্নিত করা হয়।

খাবারের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটতে পারে। প্যাকেটে ‘প্রাকৃতিক’ লেখা দেখে আমরা পুরো পণ্যটিকেই স্বাস্থ্যকর ভাবতে পারি, যদিও তার পুষ্টিমান তেমন ভালো নয়।

খাবার কেনার আগে কী দেখবেন?

প্যাকেটের সামনের দিকের দাবি একেবারে উপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। তবে শুধু ওই তথ্যের ওপর নির্ভর না করে পেছনে থাকা পুষ্টিমানসংক্রান্ত তালিকাটিও দেখে নেওয়া ভালো।

কেনার আগে কয়েকটি বিষয় খেয়াল করুন—

চিনি: খাবারটিতে মোট চিনি ও যোগ করা চিনির পরিমাণ কত?

সোডিয়াম: লবণের পরিমাণ কতটা?

সম্পৃক্ত চর্বি: অন্য পণ্যের তুলনায় এর পরিমাণ বেশি কি না।

প্রোটিন ও আঁশ: খাবারটিতে এসব উপাদান কতটা রয়েছে।

পরিবেশনের পরিমাণ: প্যাকেটে দেওয়া পুষ্টিমান পুরো প্যাকেটের জন্য, নাকি নির্দিষ্ট পরিমাণ খাবারের জন্য—তা মিলিয়ে দেখুন।

একই ধরনের দুটি পণ্য পাশাপাশি রেখে পুষ্টিমান তুলনা করলেও সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়। একটি পণ্যে ‘লো ফ্যাট’ লেখা আছে বলেই সেটি অন্যটির চেয়ে স্বাস্থ্যকর হবে, এমন নয়। চিনি, সোডিয়াম ও সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণও বিবেচনায় নিতে হবে।

তবে গবেষণাটির একটি সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এতে পণ্যের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে; এসব দাবি দেখে মানুষ বাস্তবে কী কিনছেন, তা সরাসরি পরীক্ষা করা হয়নি। তাই ফলাফল ব্যাখ্যা করার সময় বিষয়টি মাথায় রাখা জরুরি।

প্যাকেটের কথা নয়, পুষ্টির হিসাব দেখুন

খাবারের প্যাকেটে লেখা দাবি পণ্য সম্পর্কে কিছু তথ্য দেয়, কিন্তু পুরো চিত্র তুলে ধরে না। একটি উপাদান কম থাকা কিংবা কোনও উপকারী উপাদান বেশি থাকার অর্থ এই নয় যে খাবারটি সব দিক থেকেই ভালো।

তাই বাজারে খাবার কেনার সময় শুধু ‘প্রাকৃতিক’, ‘লো ফ্যাট’ কিংবা ‘হাই ফাইবার’ লেখা দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে পুষ্টিমান যাচাই করুন। একই ধরনের পণ্যের মধ্যে তুলনা করুন এবং নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিন।

মনে রাখবেন, প্যাকেটের গায়ে ‘স্বাস্থ্যকর’ লেখা থাকলেই খাবারটি স্বাস্থ্যকর হয়ে যায় না। আসল কথা লুকিয়ে থাকে তার পুষ্টির হিসাবেই।


Advance News

সংবাদ পরিবেশনার আধুনিক সমাধান

কপিরাইট © ২০২৬ Advance News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত