ঢাকা    সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
Advance News

দুই মামলায় সাধন চন্দ্রের জামিন চেম্বার আদালতে বহাল



দুই মামলায় সাধন চন্দ্রের জামিন চেম্বার আদালতে বহাল
দুই মামলায় সাধন চন্দ্রের জামিন চেম্বার আদালতে বহাল

জুলাই আন্দোলনের সময় হত্যা ও হত্যাচেষ্টার দুই মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি শেষে আগামী ২২ নভেম্বর আপিল বিভাগে নিয়মিত শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রবিবার (১১ অক্টোবর) চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সাধন চন্দ্র মজুমদারের বিরুদ্ধে রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও কারওয়ান বাজার-সংশ্লিষ্ট দুটি মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন চেম্বার আদালত। মোহাম্মদপুরের মামলার এজাহারে তার নাম ছিল না। পরে তাকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

একটি মামলা কারওয়ান বাজার এলাকায় শিক্ষার্থী রমিজ উদ্দিন রূপাকে হত্যার অভিযোগে করা। অন্যটি মোহাম্মদপুরে ব্যবসায়ী ইমরুল কায়েস ফয়সালকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা। উভয় মামলাতেই হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় গুলিতে নিহত হন ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী রমিজ উদ্দিন রূপা। এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় হত্যা মামলা করা হয়।

২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে সাধন চন্দ্র মজুমদারকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। সে সময় পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতে বলা হয়, রমিজ উদ্দিন হত্যা মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রীর জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

পরদিন এ মামলায় তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেন আদালত। রিমান্ড শেষে ১০ অক্টোবর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে ৩০ অক্টোবর তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ মামলায় তাকে আরও তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেন আদালত। পরে এ মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পান তিনি।

অন্যদিকে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার বেড়িবাঁধ এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন ব্যবসায়ী ইমরুল কায়েস ফয়সাল। চিকিৎসা শেষে ওই বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর তিনি মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন।

এ মামলায় সাবেক সেতুমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ১৮৪ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলাতেও হাইকোর্ট থেকে জামিন পান সাধন চন্দ্র মজুমদার।

সাবেক এই খাদ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মোট ১১টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা। বাকি ১০টি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে হত্যা ও হত্যাচেষ্টার মামলা।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Advance News

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬


দুই মামলায় সাধন চন্দ্রের জামিন চেম্বার আদালতে বহাল

প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

জুলাই আন্দোলনের সময় হত্যা ও হত্যাচেষ্টার দুই মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি শেষে আগামী ২২ নভেম্বর আপিল বিভাগে নিয়মিত শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রবিবার (১১ অক্টোবর) চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সাধন চন্দ্র মজুমদারের বিরুদ্ধে রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও কারওয়ান বাজার-সংশ্লিষ্ট দুটি মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন চেম্বার আদালত। মোহাম্মদপুরের মামলার এজাহারে তার নাম ছিল না। পরে তাকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

একটি মামলা কারওয়ান বাজার এলাকায় শিক্ষার্থী রমিজ উদ্দিন রূপাকে হত্যার অভিযোগে করা। অন্যটি মোহাম্মদপুরে ব্যবসায়ী ইমরুল কায়েস ফয়সালকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা। উভয় মামলাতেই হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় গুলিতে নিহত হন ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী রমিজ উদ্দিন রূপা। এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় হত্যা মামলা করা হয়।

২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে সাধন চন্দ্র মজুমদারকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। সে সময় পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতে বলা হয়, রমিজ উদ্দিন হত্যা মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রীর জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

পরদিন এ মামলায় তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেন আদালত। রিমান্ড শেষে ১০ অক্টোবর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে ৩০ অক্টোবর তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ মামলায় তাকে আরও তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেন আদালত। পরে এ মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পান তিনি।

অন্যদিকে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার বেড়িবাঁধ এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন ব্যবসায়ী ইমরুল কায়েস ফয়সাল। চিকিৎসা শেষে ওই বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর তিনি মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন।

এ মামলায় সাবেক সেতুমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ১৮৪ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলাতেও হাইকোর্ট থেকে জামিন পান সাধন চন্দ্র মজুমদার।

সাবেক এই খাদ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মোট ১১টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা। বাকি ১০টি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে হত্যা ও হত্যাচেষ্টার মামলা।


Advance News

সংবাদ পরিবেশনার আধুনিক সমাধান

কপিরাইট © ২০২৬ Advance News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত