ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
Advance News

অমুদ্রিত কথাগুলো ফেলছে দীর্ঘশ্বাসের হাওয়া



অমুদ্রিত কথাগুলো ফেলছে দীর্ঘশ্বাসের হাওয়া
অমুদ্রিত কথাগুলো ফেলছে দীর্ঘশ্বাসের হাওয়া

পৃথিবীর মানুষেরা ভালোবাসাবাসি শেষে ঢুকে পড়ে; মূলত উৎপাদনমুখী বিশ্বের অভিমুখে যেমন ধরো, পানের বরজ অথবা ভাঁট-ধুন্দুল হতে পারে তার বা তাহাদের চোখসমুদ্রের মাঝে খুঁজে ফেরে হারানো বহুপত্রী পুষ্পবিতান।

ফুটেছে ফুল এই শরতে                ঘাসজলজে; পাটগন্ধের মিশেলেবসেছে পাখিসভা মিঠেপড়া রোদে        জলের মোকাম তাড়িয়ে তাড়িয়েদৃশ্য কত আকাশের ক্রাডলে              ইতিউতি ভাসে মেঘমিথ ছড়ানো রঙে               পুষ্পরেণু ওড়েহিজলদিগা ধানে              জলরঙের বিবিধ আশ্রয়ে।

ফুটেছে ফুল বহুকাল হলোধরো অথবা স্পর্শে বায়ুউড়াইয়া দাও অথবা নজরানা নিয়াউপস্থিত করো পরাবাস্তব পাখিঅতিক্রান্ত চাপ; আকাশ ভরা প্রস্তাবেগান হয়ে উড়ে এল আমাদেরএকমাত্র বেদনাতুতো ভাই—নিরীহ চাঁদতার চারদিকে মৌন পাখিদলএর মধ্যেই মাঘনিশীথের আরশিতেফিক করে হেসে উঠল সাবালিকা—নিশ্চল তার স্বপ্নগ্রস্ত চোখ বরাবর;নেশাগ্রস্ত পাল দিগ্‌বিদিক ছুটে যায়ততবার শাসিত হই জলতরঙ্গে।

চন্দ্রিমা উদ্যান থেকে কুড়িলের আয়তনমেপে বিপরীতে দাঁড়িয়ে গেলএকটি বাহারি ফুল, আবরণে হলুদ

অবসন্ন পথ, উড়ছে লিকারের ধোঁয়াকী ভেবে এই সন্ধ্যেবেলাজানানো হলো, তার গাছভর্তি অমুদ্রিত কথাগুলোফেলছে দীর্ঘশ্বাসের হাওয়া—

প্রত্যাশার ভেতর পারদ,পত্রের ভেতর থেকে পুষ্পউঁকি মারল আবারও।

মাঠের দৈর্ঘ্য-প্রস্থ জানা হয়ে গেলেআলোয় ভাসা মুহূর্ত আর ঢিলছোড়া অন্ধকার বরাবর...বারবারই মূর্ত হয়ে দাঁড়িয়েছেদেয়ালঘড়ির কাঙ্ক্ষিত কাঁটা;ফাইলবন্দী যত গোলাপবিলোড়িত পথে হাট করে খুলে দেয়রোদের গতিছন্দ।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Advance News

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬


অমুদ্রিত কথাগুলো ফেলছে দীর্ঘশ্বাসের হাওয়া

প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

পৃথিবীর মানুষেরা ভালোবাসাবাসি শেষে ঢুকে পড়ে; মূলত উৎপাদনমুখী বিশ্বের অভিমুখে যেমন ধরো, পানের বরজ অথবা ভাঁট-ধুন্দুল হতে পারে তার বা তাহাদের চোখসমুদ্রের মাঝে খুঁজে ফেরে হারানো বহুপত্রী পুষ্পবিতান।

ফুটেছে ফুল এই শরতে                ঘাসজলজে; পাটগন্ধের মিশেলেবসেছে পাখিসভা মিঠেপড়া রোদে        জলের মোকাম তাড়িয়ে তাড়িয়েদৃশ্য কত আকাশের ক্রাডলে              ইতিউতি ভাসে মেঘমিথ ছড়ানো রঙে               পুষ্পরেণু ওড়েহিজলদিগা ধানে              জলরঙের বিবিধ আশ্রয়ে।

ফুটেছে ফুল বহুকাল হলোধরো অথবা স্পর্শে বায়ুউড়াইয়া দাও অথবা নজরানা নিয়াউপস্থিত করো পরাবাস্তব পাখিঅতিক্রান্ত চাপ; আকাশ ভরা প্রস্তাবেগান হয়ে উড়ে এল আমাদেরএকমাত্র বেদনাতুতো ভাই—নিরীহ চাঁদতার চারদিকে মৌন পাখিদলএর মধ্যেই মাঘনিশীথের আরশিতেফিক করে হেসে উঠল সাবালিকা—নিশ্চল তার স্বপ্নগ্রস্ত চোখ বরাবর;নেশাগ্রস্ত পাল দিগ্‌বিদিক ছুটে যায়ততবার শাসিত হই জলতরঙ্গে।

চন্দ্রিমা উদ্যান থেকে কুড়িলের আয়তনমেপে বিপরীতে দাঁড়িয়ে গেলএকটি বাহারি ফুল, আবরণে হলুদ

অবসন্ন পথ, উড়ছে লিকারের ধোঁয়াকী ভেবে এই সন্ধ্যেবেলাজানানো হলো, তার গাছভর্তি অমুদ্রিত কথাগুলোফেলছে দীর্ঘশ্বাসের হাওয়া—

প্রত্যাশার ভেতর পারদ,পত্রের ভেতর থেকে পুষ্পউঁকি মারল আবারও।

মাঠের দৈর্ঘ্য-প্রস্থ জানা হয়ে গেলেআলোয় ভাসা মুহূর্ত আর ঢিলছোড়া অন্ধকার বরাবর...বারবারই মূর্ত হয়ে দাঁড়িয়েছেদেয়ালঘড়ির কাঙ্ক্ষিত কাঁটা;ফাইলবন্দী যত গোলাপবিলোড়িত পথে হাট করে খুলে দেয়রোদের গতিছন্দ।


Advance News

সংবাদ পরিবেশনার আধুনিক সমাধান

কপিরাইট © ২০২৬ Advance News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত