ঢাকা ভিত্তিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২৪ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক পদে ৪,৫০০টির বেশি শূন্যস্থান রয়ে গেছে। এই ঘাটতি দেশের শিক্ষার গুণগত মানকে প্রভাবিত করার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার দীর্ঘায়ু, বাজেটের সীমাবদ্ধতা এবং প্রার্থী সংগ্রহে অসুবিধা প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পূর্ববর্তী বছরগুলিতে মোট ৩,২০০ শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্য নির্ধারিত হলেও, বাস্তবে মাত্র ১,৪৫০ নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও দূরবর্তী অঞ্চলে শিক্ষক ঘাটতি অধিক তীব্র। শিক্ষা মন্ত্রণালয় অতিরিক্ত পদোন্নতি ও অস্থায়ী কর্মী ব্যবস্থার মাধ্যমে অস্থায়ী সমাধান খোঁজার চেষ্টা করেছে, তবে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা এখনো স্পষ্ট নয়। শিক্ষার্থীদের শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে অনুপস্থিত শিক্ষককে পরিবর্তে অস্থায়ী শিক্ষক বা স্বেচ্ছাসেবক ব্যবহার করা হচ্ছে। শিক্ষক ইউনিয়ন ও পিতামাতার গোষ্ঠী দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে। তারা উল্লেখ করেছে যে, শিক্ষক ঘাটতি শিক্ষার্থীর ফলাফল হ্রাস, ক্লাসের গড় আকার বৃদ্ধি এবং শিক্ষার মানের অবনতি ঘটাতে পারে। বিশেষজ্ঞরা সুপারিশ করেছেন যে, নিয়োগ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা, বেতন ও সুবিধা বৃদ্ধি এবং প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম সম্প্রসারণের মাধ্যমে শিক্ষক আকর্ষণ বৃদ্ধি করা উচিত। সরকার যদি দ্রুত পদক্ষেপ নেবে, তবে শিক্ষক সংকটের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব কমানো সম্ভব হবে।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।