ঢাকা    রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
Advance News

চট্টগ্রাম বন্দর চুক্তি নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর তীব্র মন্তব্য



চট্টগ্রাম বন্দর চুক্তি নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর তীব্র মন্তব্য
চট্টগ্রাম বন্দর চুক্তি নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর তীব্র মন্তব্য
বাণিজ্যমন্ত্রী চট্টগ্রাম বন্দর চুক্তিকে 'দেশ বিক্রির চুক্তি' রূপককে অস্বীকার করে, এটিকে দেশের বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষার পদক্ষেপ বলে জানান।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রধান মন্ত্রী আজ চট্টগ্রাম বন্দর সংক্রান্ত চুক্তি নিয়ে 'দেশ বিক্রির চুক্তি' রূপককে অমূলক বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই চুক্তি দেশের বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষা করে এবং কোনো জাতীয় সম্পদ বিক্রয় নয়। চুক্তিটি চট্টগ্রাম বন্দরকে আধুনিকীকরণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছে, যেখানে বিদেশি বিনিয়োগকারী ও প্রযুক্তি অংশীদার হিসেবে যুক্ত হয়েছে। মন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, চুক্তির শর্তাবলী স্বচ্ছ এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বন্দর উন্নয়নের পূর্বে কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠী ও নাগরিক সমাজের মধ্যে চুক্তি নিয়ে সন্দেহের বায়ু ছিল, বিশেষত দেশের কৌশলগত সম্পদ বিক্রয়ের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন, সরকার আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এবং জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। ভবিষ্যতে মন্ত্রণালয় চুক্তির বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রয়োজনীয় সমন্বয়মূলক পদক্ষেপ নেবে, যাতে বন্দর থেকে রপ্তানি-আমদানি কার্যক্রমে বৃদ্ধি পায় এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখে।

বিষয় : চট্টগ্রাম বন্দর বাণিজ্য চুক্তি বাণিজ্যমন্ত্রী দেশ বিক্রির চুক্তি অর্থনীতি বাণিজ্য বাংলাদেশ বন্দর উন্নয়ন

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Advance News

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬


চট্টগ্রাম বন্দর চুক্তি নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর তীব্র মন্তব্য

প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
বাণিজ্যমন্ত্রী চট্টগ্রাম বন্দর চুক্তিকে 'দেশ বিক্রির চুক্তি' রূপককে অস্বীকার করে, এটিকে দেশের বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষার পদক্ষেপ বলে জানান।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রধান মন্ত্রী আজ চট্টগ্রাম বন্দর সংক্রান্ত চুক্তি নিয়ে 'দেশ বিক্রির চুক্তি' রূপককে অমূলক বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই চুক্তি দেশের বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষা করে এবং কোনো জাতীয় সম্পদ বিক্রয় নয়। চুক্তিটি চট্টগ্রাম বন্দরকে আধুনিকীকরণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছে, যেখানে বিদেশি বিনিয়োগকারী ও প্রযুক্তি অংশীদার হিসেবে যুক্ত হয়েছে। মন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, চুক্তির শর্তাবলী স্বচ্ছ এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বন্দর উন্নয়নের পূর্বে কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠী ও নাগরিক সমাজের মধ্যে চুক্তি নিয়ে সন্দেহের বায়ু ছিল, বিশেষত দেশের কৌশলগত সম্পদ বিক্রয়ের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন, সরকার আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এবং জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। ভবিষ্যতে মন্ত্রণালয় চুক্তির বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রয়োজনীয় সমন্বয়মূলক পদক্ষেপ নেবে, যাতে বন্দর থেকে রপ্তানি-আমদানি কার্যক্রমে বৃদ্ধি পায় এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখে।

Advance News

সংবাদ পরিবেশনার আধুনিক সমাধান

কপিরাইট © ২০২৬ Advance News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত