বাংলাদেশে এআই ভিত্তিক সঙ্গী অনুসন্ধান সেবার কার্যকারিতা, ব্যবহারকারী সংখ্যা, সফলতা, বিশেষজ্ঞের বিশ্লেষণ ও গোপনীয়তা উদ্বেগসহ সামগ্রিক মূল্যায়ন উপস্থাপন করা হয়েছে।
ঢাকা শহরে গত মাসে চালু হওয়া এআই ভিত্তিক সঙ্গী অনুসন্ধান সেবা, ব্যবহারকারীদের স্বয়ংক্রিয় প্রোফাইল মিলিয়ে সম্ভাব্য সঙ্গী প্রস্তাব করে। সেবা চালু হওয়ার প্রথম সপ্তাহে ১,২০০টি নিবন্ধন রেকর্ড করা হয়েছে।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ৩৫ শতাংশ ব্যবহারকারী ২৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সের তরুণ পেশাজীবী, আর ৪০ শতাংশ নারী ব্যবহারকারী। সেবার অ্যালগরিদম ব্যবহারকারীর পছন্দ, আগ্রহ ও সামাজিক আচরণ বিশ্লেষণ করে মিল নির্ধারণ করে, ফলে প্রথম মাসে ১৫ শতাংশ ব্যবহারকারী সম্ভাব্য সঙ্গীর সঙ্গে সাক্ষাৎ সম্পন্ন করেছেন।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, এআই সিস্টেমের সঠিকতা ডেটার গুণমান ও পরিমাণের উপর নির্ভরশীল। তবে গোপনীয়তা সংক্রান্ত উদ্বেগও বাড়ছে; ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে শেয়ার হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা ডেটা সুরক্ষা ও স্বচ্ছতা বাড়াতে কঠোর নীতি প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন।
ভবিষ্যতে সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ডেটা নিরাপত্তা উন্নত করে ব্যবহারকারীর বিশ্বাস জোরদার করার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। এআই ভিত্তিক ম্যাচমেকিং সেবা যদি গোপনীয়তা সমস্যার সমাধান করতে পারে, তবে তা বাংলাদেশের ডিজিটাল ডেটিং বাজারে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করতে পারে।
মতামত