ঢাকা    রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩
Advance News

এক গ্রামে সবজির চারা বিক্রি ১৫ কোটি টাকার রেকর্ড



এক গ্রামে সবজির চারা বিক্রি ১৫ কোটি টাকার রেকর্ড
এক গ্রামে সবজির চারা বিক্রি ১৫ কোটি টাকার রেকর্ড
একটি গ্রামে সবজির চারা বিক্রি ১৫ কোটি টাকার শীর্ষে পৌঁছেছে, যা কৃষকদের আয় বাড়িয়ে স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন গতিপ্রকোপ সৃষ্টি করেছে।
মৌলভীবাজার জেলার একটি ছোট গ্রাম, যেখানে শীতকালে সবজির চারা উৎপাদন প্রধান আয়ের উৎস, গত অর্থবছরে চারা বিক্রি মোট ১৫ কোটি টাকার শীর্ষে পৌঁছেছে। এই বিক্রয় মূলত স্থানীয় কৃষক সমিতি ও বেসরকারি বীজ সংস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে। সমিতি অনুযায়ী, এই সময়ে প্রায় দুই লক্ষ চারা বিক্রি হয়েছে, যার মধ্যে টমেটো, মরিচ, লেটুস এবং গাজরের চারা সবচেয়ে বেশি চাহিদা পেয়েছে। বিক্রয় মূলত শহরের হোলসেল বাজার এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে হয়েছে, যা গ্রামবাসীর আয়কে দ্বিগুণের কাছাকাছি বৃদ্ধি করেছে। স্থানীয় প্রশাসক বলেন, চারা বিক্রয়ের এই উত্থান গ্রামটির কৃষি অবকাঠামো উন্নত করার পাশাপাশি যুবকদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকারী সহায়তা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু থাকায় উৎপাদনশীলতা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা ভবিষ্যতে চারা উৎপাদনকে আরও আধুনিক প্রযুক্তি ও সঠিক বাজার সংযোগের মাধ্যমে স্কেল আপ করার পরামর্শ দিয়েছেন, যাতে গ্রামটি জাতীয় পর্যায়ে শাকসবজি সরবরাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।

বিষয় : সবজি চারা বিক্রয় গ্রাম কৃষি অর্থনীতি ১৫ কোটি শাকসবজি বাজার

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Advance News

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


এক গ্রামে সবজির চারা বিক্রি ১৫ কোটি টাকার রেকর্ড

প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
একটি গ্রামে সবজির চারা বিক্রি ১৫ কোটি টাকার শীর্ষে পৌঁছেছে, যা কৃষকদের আয় বাড়িয়ে স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন গতিপ্রকোপ সৃষ্টি করেছে।
মৌলভীবাজার জেলার একটি ছোট গ্রাম, যেখানে শীতকালে সবজির চারা উৎপাদন প্রধান আয়ের উৎস, গত অর্থবছরে চারা বিক্রি মোট ১৫ কোটি টাকার শীর্ষে পৌঁছেছে। এই বিক্রয় মূলত স্থানীয় কৃষক সমিতি ও বেসরকারি বীজ সংস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে। সমিতি অনুযায়ী, এই সময়ে প্রায় দুই লক্ষ চারা বিক্রি হয়েছে, যার মধ্যে টমেটো, মরিচ, লেটুস এবং গাজরের চারা সবচেয়ে বেশি চাহিদা পেয়েছে। বিক্রয় মূলত শহরের হোলসেল বাজার এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে হয়েছে, যা গ্রামবাসীর আয়কে দ্বিগুণের কাছাকাছি বৃদ্ধি করেছে। স্থানীয় প্রশাসক বলেন, চারা বিক্রয়ের এই উত্থান গ্রামটির কৃষি অবকাঠামো উন্নত করার পাশাপাশি যুবকদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকারী সহায়তা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু থাকায় উৎপাদনশীলতা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা ভবিষ্যতে চারা উৎপাদনকে আরও আধুনিক প্রযুক্তি ও সঠিক বাজার সংযোগের মাধ্যমে স্কেল আপ করার পরামর্শ দিয়েছেন, যাতে গ্রামটি জাতীয় পর্যায়ে শাকসবজি সরবরাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।

Advance News

সংবাদ পরিবেশনার আধুনিক সমাধান

কপিরাইট © ২০২৬ Advance News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত