ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩
Advance News

১৩ হাজারের বেশি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করল এক্স, নেপথ্যে কী?



১৩ হাজারের বেশি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করল এক্স, নেপথ্যে কী?
১৩ হাজারের বেশি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করল এক্স, নেপথ্যে কী?

ইরান, রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিনটি সন্দেহভাজন বিদেশি প্রভাব বিস্তারকারী নেটওয়ার্কের ১৩ হাজারের বেশি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এক্স জানায়, এসব নেটওয়ার্কের অ্যাকাউন্টগুলো ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি নিয়ে বিভিন্ন পোস্ট করা এবং সেগুলোর প্রচার বাড়ানো হচ্ছিল। রাজনৈতিক মতাদর্শের বিভিন্ন পক্ষের প্রার্থী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এক্সের দাবি, এসব নেটওয়ার্কে ভুয়া পরিচয়ের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য ও বিভিন্ন বিষয়বস্তু ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল।

এক্সের গ্লোবাল গভর্নমেন্ট অ্যাফেয়ার্স টিম এক পোস্টে জানায়, স্প্যাম নেটওয়ার্ক হোক কিংবা প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে পরিচালিত কোনো গোষ্ঠী—প্ল্যাটফর্মের স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করে, এমন সমন্বিত ও ভুয়া কার্যক্রম শনাক্ত এবং বন্ধ করতে তারা সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে প্ল্যাটফর্মটির নিরাপত্তাব্যবস্থা তুলে ধরার সময় এসব অ্যাকাউন্ট বন্ধের তথ্য জানায় সংস্থাটি। এক্সের ভাষ্য অনুযায়ী, সক্রিয় নজরদারি ও তদন্তের মাধ্যমে নেটওয়ার্কগুলো শনাক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুনআরও পড়ুনকেনাকাটা সহজ করতে নতুন ফিচার আনল টিকটক

ইরান-সংশ্লিষ্ট প্রভাব বিস্তারকারী কার্যক্রম এর আগেও শনাক্ত করেছে এক্স। ২০২১ সালে তৎকালীন টুইটার জানায়, তদন্তের পর ইরান থেকে পরিচালিত ২৩৮টি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে।

২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম বিতর্কের সময় জনপরিসরের রাজনৈতিক আলোচনায় বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করছিল—এমন কিছু অ্যাকাউন্টের সূত্র ধরে ওই তদন্ত শুরু হয়েছিল।

তবে টুইটারের দাবি ছিল, বন্ধ করা অ্যাকাউন্টগুলোর কার্যক্রমে মানুষের অংশগ্রহণ ও সাড়া ছিল খুবই কম। ফলে জনপরিসরের আলোচনায় সেগুলোর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েনি।

২০২০ সালে ইরানভিত্তিক আরেকটি নেটওয়ার্কের তথ্য প্রকাশ করেছিল টুইটার। প্রতিষ্ঠানটির অভিযোগ ছিল, নেটওয়ার্কটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল বিভিন্ন বিষয়ে অনলাইনে আলোচনার মাত্রা কৃত্রিমভাবে বাড়ানোর চেষ্টা করেছিল।

আরও পড়ুনআরও পড়ুনজেমিনি ব্যবহারে গুনতে হবে টাকা

এসব বিষয়ের মধ্যে ছিল ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ আন্দোলন, জর্জ ফ্লয়েডের হত্যাকাণ্ড এবং বর্ণবৈষম্য ও সামাজিক ন্যায়বিচারসংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়।

টুইটার তখন ওই প্রচারাভিযানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১০৪টি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার কথা জানিয়েছিল।

তথ্যসূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল, মিডল ইস্ট আই

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Advance News

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


১৩ হাজারের বেশি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করল এক্স, নেপথ্যে কী?

প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ইরান, রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিনটি সন্দেহভাজন বিদেশি প্রভাব বিস্তারকারী নেটওয়ার্কের ১৩ হাজারের বেশি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এক্স জানায়, এসব নেটওয়ার্কের অ্যাকাউন্টগুলো ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি নিয়ে বিভিন্ন পোস্ট করা এবং সেগুলোর প্রচার বাড়ানো হচ্ছিল। রাজনৈতিক মতাদর্শের বিভিন্ন পক্ষের প্রার্থী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এক্সের দাবি, এসব নেটওয়ার্কে ভুয়া পরিচয়ের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য ও বিভিন্ন বিষয়বস্তু ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল।

এক্সের গ্লোবাল গভর্নমেন্ট অ্যাফেয়ার্স টিম এক পোস্টে জানায়, স্প্যাম নেটওয়ার্ক হোক কিংবা প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে পরিচালিত কোনো গোষ্ঠী—প্ল্যাটফর্মের স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করে, এমন সমন্বিত ও ভুয়া কার্যক্রম শনাক্ত এবং বন্ধ করতে তারা সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে প্ল্যাটফর্মটির নিরাপত্তাব্যবস্থা তুলে ধরার সময় এসব অ্যাকাউন্ট বন্ধের তথ্য জানায় সংস্থাটি। এক্সের ভাষ্য অনুযায়ী, সক্রিয় নজরদারি ও তদন্তের মাধ্যমে নেটওয়ার্কগুলো শনাক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুনআরও পড়ুনকেনাকাটা সহজ করতে নতুন ফিচার আনল টিকটক

ইরান-সংশ্লিষ্ট প্রভাব বিস্তারকারী কার্যক্রম এর আগেও শনাক্ত করেছে এক্স। ২০২১ সালে তৎকালীন টুইটার জানায়, তদন্তের পর ইরান থেকে পরিচালিত ২৩৮টি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে।

২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম বিতর্কের সময় জনপরিসরের রাজনৈতিক আলোচনায় বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করছিল—এমন কিছু অ্যাকাউন্টের সূত্র ধরে ওই তদন্ত শুরু হয়েছিল।

তবে টুইটারের দাবি ছিল, বন্ধ করা অ্যাকাউন্টগুলোর কার্যক্রমে মানুষের অংশগ্রহণ ও সাড়া ছিল খুবই কম। ফলে জনপরিসরের আলোচনায় সেগুলোর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েনি।

২০২০ সালে ইরানভিত্তিক আরেকটি নেটওয়ার্কের তথ্য প্রকাশ করেছিল টুইটার। প্রতিষ্ঠানটির অভিযোগ ছিল, নেটওয়ার্কটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল বিভিন্ন বিষয়ে অনলাইনে আলোচনার মাত্রা কৃত্রিমভাবে বাড়ানোর চেষ্টা করেছিল।

আরও পড়ুনআরও পড়ুনজেমিনি ব্যবহারে গুনতে হবে টাকা

এসব বিষয়ের মধ্যে ছিল ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ আন্দোলন, জর্জ ফ্লয়েডের হত্যাকাণ্ড এবং বর্ণবৈষম্য ও সামাজিক ন্যায়বিচারসংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়।

টুইটার তখন ওই প্রচারাভিযানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১০৪টি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার কথা জানিয়েছিল।

তথ্যসূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল, মিডল ইস্ট আই


Advance News

সংবাদ পরিবেশনার আধুনিক সমাধান

কপিরাইট © ২০২৬ Advance News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত