ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
Advance News

বিএনপি কর্মীকে হত্যাচেষ্টা: সাবেক এমপি সুলতান মনসুরকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ



বিএনপি কর্মীকে হত্যাচেষ্টা: সাবেক এমপি সুলতান মনসুরকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ
বিএনপি কর্মীকে হত্যাচেষ্টা: সাবেক এমপি সুলতান মনসুরকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে হামলা ও গুলিবর্ষণে দলটির কর্মী মুশফিকুর রহমান আবিরকে (২৮) হত্যাচেষ্টার মামলায় মৌলভীবাজার-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহম্মেদকে (৭৮) গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবু সালেহ আসামিকে আদালতে হাজির করে এ মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, ঘটনার সঙ্গে আসামির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশ এবং ইন্ধন ছিল। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে সুলতান মনসুরকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।

এদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এর বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় মহাসমাবেশ উপলক্ষে কলাবাগান এলাকায় প্রচার-প্রচারণা শেষে বাড়ি ফেরার পথে বিএনপি কর্মী মুশফিকুর রহমানকে আসামিরা বলপূর্বক তুলে নিয়ে একটি ট্যানারির গুদামে আটকে রাখেন। সেখানে তাঁর ওপর অমানুষিক শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয় এবং পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করা হয়। পরে ১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টন পার্টি অফিসের সামনে সমাবেশ চলাকালে হামলা ও গুলিবর্ষণ করা হয়।

এজাহারে আরও বলা হয়, আসামি ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো একযোগে কাঁদানে গ্যাসের শেল (টিয়ার শেল) নিক্ষেপ ও শত শত গুলিবর্ষণ করে। এতে বহু নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ গুলিবিদ্ধ হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। বিএনপি কর্মী মুশফিকুর রহমান নিজেও এতে গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় তিনি নিজেই বাদী হয়ে ৯৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ১০০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Advance News

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


বিএনপি কর্মীকে হত্যাচেষ্টা: সাবেক এমপি সুলতান মনসুরকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ

প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে হামলা ও গুলিবর্ষণে দলটির কর্মী মুশফিকুর রহমান আবিরকে (২৮) হত্যাচেষ্টার মামলায় মৌলভীবাজার-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহম্মেদকে (৭৮) গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবু সালেহ আসামিকে আদালতে হাজির করে এ মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, ঘটনার সঙ্গে আসামির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশ এবং ইন্ধন ছিল। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে সুলতান মনসুরকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।

এদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এর বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় মহাসমাবেশ উপলক্ষে কলাবাগান এলাকায় প্রচার-প্রচারণা শেষে বাড়ি ফেরার পথে বিএনপি কর্মী মুশফিকুর রহমানকে আসামিরা বলপূর্বক তুলে নিয়ে একটি ট্যানারির গুদামে আটকে রাখেন। সেখানে তাঁর ওপর অমানুষিক শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয় এবং পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করা হয়। পরে ১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টন পার্টি অফিসের সামনে সমাবেশ চলাকালে হামলা ও গুলিবর্ষণ করা হয়।

এজাহারে আরও বলা হয়, আসামি ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো একযোগে কাঁদানে গ্যাসের শেল (টিয়ার শেল) নিক্ষেপ ও শত শত গুলিবর্ষণ করে। এতে বহু নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ গুলিবিদ্ধ হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। বিএনপি কর্মী মুশফিকুর রহমান নিজেও এতে গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় তিনি নিজেই বাদী হয়ে ৯৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ১০০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।


Advance News

সংবাদ পরিবেশনার আধুনিক সমাধান

কপিরাইট © ২০২৬ Advance News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত