ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
Advance News

প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি: রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবালসহ ৮ জনের কারাদণ্ড



প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি: রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবালসহ ৮ জনের কারাদণ্ড
প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি: রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবালসহ ৮ জনের কারাদণ্ড

রাজউকের প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির মামলায় সংস্থাটির সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন চৌধুরীসহ আটজনকে পৃথক দুই ধারায় সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দুই ধারার সাজা একত্রে চলবে বলে জানিয়েছেন দুদকের প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক মো. আব্দুস সালাম এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন রাজউকের সাবেক সদস্য (উন্নয়ন) এস ডি ফয়েজ, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) এ কে এম ওয়াহেদুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (অর্থ) এস এম জাফর উল্লাহ, সাবেক সদস্য (প্রশাসন ও ভূমি) এইচ এম জহুরুল হক, সাবেক সদস্য (এস্টেট) মো. রেজাউল করিম তরফদার এবং প্লট বরাদ্দ পাওয়া শওকত আজিজ ও আশফাক আজিজ।

প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন জানান, অপরাধমূলক অসদাচরণের দায়ে আট আসামিকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরও এক বছর করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। একইভাবে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের দায়ে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ অর্থদণ্ড অনাদায়েও আরও এক বছর করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী সাইফুল ইসলাম মিঠু জানান, আসামিরা জামিনে ছিলেন। তবে রায় ঘোষণার দিন তারা আদালতে হাজির হননি। এ কারণে আদালত তাদের জামিন বাতিল করে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০১ সালের ২৩ আগস্ট থেকে ২০১৪ সালের ২৩ অক্টোবরের মধ্যে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের মাধ্যমে বৈধ আবেদনকারীদের বঞ্চিত করে আশফাক আজিজ রুবেল ও শওকত আজিজ রাসেলকে লাভবান করার উদ্দেশ্যে রাজউক অনুমোদিত ১০ কাঠা আয়তনের দুটি প্লট বরাদ্দ দেন বলে অভিযোগ আনা হয়।

এ ঘটনায় দুদকের তৎকালীন উপপরিচালক সিলভিয়া ফেরদৌস ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি মতিঝিল থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে দুদকের তৎকালীন উপপরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৯ সালের ২৬ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

মামলার বিচার চলাকালে আদালত নয়জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন, যুক্তিতর্ক উপস্থাপনসহ বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত এ রায় দেন।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Advance News

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬


প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি: রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবালসহ ৮ জনের কারাদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

রাজউকের প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির মামলায় সংস্থাটির সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন চৌধুরীসহ আটজনকে পৃথক দুই ধারায় সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দুই ধারার সাজা একত্রে চলবে বলে জানিয়েছেন দুদকের প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক মো. আব্দুস সালাম এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন রাজউকের সাবেক সদস্য (উন্নয়ন) এস ডি ফয়েজ, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) এ কে এম ওয়াহেদুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (অর্থ) এস এম জাফর উল্লাহ, সাবেক সদস্য (প্রশাসন ও ভূমি) এইচ এম জহুরুল হক, সাবেক সদস্য (এস্টেট) মো. রেজাউল করিম তরফদার এবং প্লট বরাদ্দ পাওয়া শওকত আজিজ ও আশফাক আজিজ।

প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন জানান, অপরাধমূলক অসদাচরণের দায়ে আট আসামিকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরও এক বছর করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। একইভাবে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের দায়ে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ অর্থদণ্ড অনাদায়েও আরও এক বছর করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী সাইফুল ইসলাম মিঠু জানান, আসামিরা জামিনে ছিলেন। তবে রায় ঘোষণার দিন তারা আদালতে হাজির হননি। এ কারণে আদালত তাদের জামিন বাতিল করে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০১ সালের ২৩ আগস্ট থেকে ২০১৪ সালের ২৩ অক্টোবরের মধ্যে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের মাধ্যমে বৈধ আবেদনকারীদের বঞ্চিত করে আশফাক আজিজ রুবেল ও শওকত আজিজ রাসেলকে লাভবান করার উদ্দেশ্যে রাজউক অনুমোদিত ১০ কাঠা আয়তনের দুটি প্লট বরাদ্দ দেন বলে অভিযোগ আনা হয়।

এ ঘটনায় দুদকের তৎকালীন উপপরিচালক সিলভিয়া ফেরদৌস ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি মতিঝিল থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে দুদকের তৎকালীন উপপরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৯ সালের ২৬ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

মামলার বিচার চলাকালে আদালত নয়জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন, যুক্তিতর্ক উপস্থাপনসহ বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত এ রায় দেন।


Advance News

সংবাদ পরিবেশনার আধুনিক সমাধান

কপিরাইট © ২০২৬ Advance News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত