ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
Advance News

হুতিদের পেছনে ইরানের বিপ্লবী গার্ড



হুতিদের পেছনে ইরানের বিপ্লবী গার্ড
হুতিদের পেছনে ইরানের বিপ্লবী গার্ড

ইয়েমেনের বিভিন্ন প্রদেশে যুদ্ধ তীব্র হয়ে উঠেছে। হুতিদের নিয়ন্ত্রণাধীন রাজধানী সানা ও আশপাশের এলাকাগুলোর সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতেও সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইয়েমেনের যুদ্ধে ইরানের সক্রিয় ভূমিকা ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। অনেক বিশ্লেষকের ধারণা, হুতিদের ইয়েমেনের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে এবং প্রতিবেশী সৌদি আরবের সীমান্তের ওপারে সংঘাত বাড়াতে উৎসাহ দিচ্ছে তেহরান। এর উদ্দেশ্য হলো সৌদি আরব ও উপসাগরীয় অন্য দেশগুলোকে আরও বিস্তৃত এবং ব্যয়বহুল আঞ্চলিক যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলা।

তবে দক্ষিণ লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালির কয়েকটি ইয়েমেনি দ্বীপে হুতিদের কিছু যোদ্ধার সীমিত ও অনিশ্চিত উপস্থিতি ছাড়া এখন পর্যন্ত বড় কোনো সামরিক সাফল্য পায়নি গোষ্ঠীটি। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ‘বিশেষজ্ঞদের’ সহায়তায় তারা কয়েকটি পরিখা ও সুড়ঙ্গ খনন করেছে। পাশাপাশি দক্ষিণ লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালির ওপর নজর রাখা যায়, এমন উঁচু স্থানে রাডার সরঞ্জাম স্থাপন করেছে।

হুতিদের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলোও স্বীকার করেছে, যুদ্ধক্ষেত্রে গোষ্ঠীটি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে। বিশেষ করে ইয়েমেনের প্রদেশ মারিব দখলের চেষ্টায় তাদের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। গত দুই দিনে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুতি মিলিশিয়ার দুটি পূর্ণাঙ্গ ব্রিগেড দীর্ঘ সময় ধরে অবরোধ ও ক্ষয়ক্ষতির চক্রে আটকা পড়েছে। এর একটি অংশ মারিবের উপকণ্ঠে পূর্ব জাবাল আল-বালাক ফ্রন্টে এবং অন্য অংশটি বাব আল-মান্দেব প্রণালির দিকে তাকিয়ে থাকা কাহবুব পাহাড়ে লড়াই করছে। এলাকাটি তাইজ ও লাহিজ প্রদেশের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।

নিহতদের মধ্যে হুতি মিলিশিয়ার কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডার রয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। দীর্ঘদিন ধরে যোদ্ধা নিয়োগ, সামরিক তৎপরতা সংগঠিত করা এবং বিভিন্ন যুদ্ধ পরিচালনায় তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। অন্যদিকে, ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর দাবি, পুরো দেশের আকাশসীমায় তাদের নিরঙ্কুশ আধিপত্য রয়েছে। হুতিরা যেসব এলাকায় অবস্থান নিয়েছে, সেগুলোও তারা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে।

বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে পৌঁছানোর পরপরই হুতিরা ঘোষণা দেয়, তারা যুক্তরাষ্ট্রের এমনকি ইসরায়েলের জাহাজেও হামলা চালাবে না। বার্তা সংস্থা রয়টার্স একাধিক সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে। তবে হুতিদের এই আশ্বাস ওয়াশিংটনকে খুব একটা আস্থায় আনতে পারেনি বলে মনে হচ্ছে। বরং সেখানে আকস্মিকভাবে বড় ধরনের সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টির প্রস্তুতি চলছিল বলে খবর পাওয়া গেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্যাম্প ডেভিডে অবস্থানের সময় কমিয়ে দ্রুত ওয়াশিংটনে ফিরে আসেন। সেখানে মার্কিন সামরিক গোয়েন্দারা তাঁকে ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলে হুতিদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলার কয়েকটি বিকল্প পরিকল্পনা তুলে ধরেন। হুতিরা ওই উপকূলের বিস্তীর্ণ এলাকায়, বাব আল-মান্দেব প্রণালি পর্যন্ত পৌঁছেছে। তবে পরে যুক্তরাষ্ট্র হামলার পরিকল্পনা থেকে সরে আসে।

এদিকে ইয়েমেনের রণক্ষেত্রে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির উপস্থিতি নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এসব প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাহিনীটির বিশেষজ্ঞরা ইয়েমেনের তাইজ প্রদেশ ও দেশটির পশ্চিম উপকূলে সামরিক অভিযান পরিচালনায় ভূমিকা রাখছেন। ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা, ড্রোন এবং প্রযুক্তিগত ও রসদ সহায়তার মাধ্যমেও তারা হুতিদের সহায়তা দিচ্ছেন। কিছু বিশ্লেষকের মতে, ইরানের এই সহায়তা ছাড়া হুতিদের পক্ষে এত দূর অগ্রসর হওয়া সম্ভব হতো না।

তবে হুতি আন্দোলন নিয়ে গবেষণা করা অন্য বিশ্লেষকেরা ভিন্ন মত পোষণ করেন। তাঁদের মতে, হুতিরা এখন এমন একটি শক্তিতে পরিণত হয়েছে, যাদের সামরিক কাঠামো ও সক্ষমতার সঙ্গে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর মিল রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে তাদের সক্ষমতা ইরানি বাহিনীর সমপর্যায়েও পৌঁছেছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, হুতিরা এখন একাধিক ফ্রন্টে যুদ্ধ করছে। ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলের কয়েক শ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তাদের সামরিক তৎপরতা রয়েছে। পাশাপাশি মারিব, আল-জাওফ, আল-বাইদা, তাইজ, আল-দালিয়া, লাহিজসহ বিভিন্ন এলাকায়ও তারা লড়াই করছে।

তবে এই বিস্তৃতি হুতিদের জন্য একই সঙ্গে সুযোগ ও ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। নতুন নতুন এলাকা দখল করতে গিয়ে তাদের সামরিক শক্তি অনেক বেশি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে প্রতিটি ফ্রন্টে পর্যাপ্ত শক্তি ধরে রাখা কঠিন হয়ে উঠতে পারে। বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করেন, দক্ষিণ দিকে হুতিদের অগ্রযাত্রার ফলে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে তাদের প্রধান ঘাঁটিগুলোও ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

হুতিদের এই সামরিক তৎপরতা আরও একটি প্রশ্ন সামনে এনেছে। তারা কি নিজেদের স্বার্থে যুদ্ধ করছে, নাকি ইরানের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে? অনেকের ধারণা, তাদের কর্মকাণ্ড ইয়েমেনের জনগণের চেয়ে ইরানের স্বার্থের সঙ্গেই বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।

বাস্তবে ইয়েমেনের অধিকাংশ মানুষ মনে করেন, চলমান যুদ্ধ তাঁদের নিজেদের যুদ্ধ নয়। ইরানের সমর্থনে কিংবা আঞ্চলিক অন্য কোনো শক্তির সঙ্গে জোট বেঁধে—যেভাবেই এই যুদ্ধ পরিচালিত হোক না কেন, এর সঙ্গে সাধারণ ইয়েমেনিদের স্বার্থের মিল নেই।

আনোয়ার আল-আনসি ইয়েমেনের লেখক। সৌদিভিত্তিক মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী ম্যাগাজিন আল মাজালা থেকে নেওয়া

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Advance News

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬


হুতিদের পেছনে ইরানের বিপ্লবী গার্ড

প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ইয়েমেনের বিভিন্ন প্রদেশে যুদ্ধ তীব্র হয়ে উঠেছে। হুতিদের নিয়ন্ত্রণাধীন রাজধানী সানা ও আশপাশের এলাকাগুলোর সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতেও সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইয়েমেনের যুদ্ধে ইরানের সক্রিয় ভূমিকা ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। অনেক বিশ্লেষকের ধারণা, হুতিদের ইয়েমেনের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে এবং প্রতিবেশী সৌদি আরবের সীমান্তের ওপারে সংঘাত বাড়াতে উৎসাহ দিচ্ছে তেহরান। এর উদ্দেশ্য হলো সৌদি আরব ও উপসাগরীয় অন্য দেশগুলোকে আরও বিস্তৃত এবং ব্যয়বহুল আঞ্চলিক যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলা।

তবে দক্ষিণ লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালির কয়েকটি ইয়েমেনি দ্বীপে হুতিদের কিছু যোদ্ধার সীমিত ও অনিশ্চিত উপস্থিতি ছাড়া এখন পর্যন্ত বড় কোনো সামরিক সাফল্য পায়নি গোষ্ঠীটি। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ‘বিশেষজ্ঞদের’ সহায়তায় তারা কয়েকটি পরিখা ও সুড়ঙ্গ খনন করেছে। পাশাপাশি দক্ষিণ লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালির ওপর নজর রাখা যায়, এমন উঁচু স্থানে রাডার সরঞ্জাম স্থাপন করেছে।

হুতিদের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলোও স্বীকার করেছে, যুদ্ধক্ষেত্রে গোষ্ঠীটি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে। বিশেষ করে ইয়েমেনের প্রদেশ মারিব দখলের চেষ্টায় তাদের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। গত দুই দিনে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুতি মিলিশিয়ার দুটি পূর্ণাঙ্গ ব্রিগেড দীর্ঘ সময় ধরে অবরোধ ও ক্ষয়ক্ষতির চক্রে আটকা পড়েছে। এর একটি অংশ মারিবের উপকণ্ঠে পূর্ব জাবাল আল-বালাক ফ্রন্টে এবং অন্য অংশটি বাব আল-মান্দেব প্রণালির দিকে তাকিয়ে থাকা কাহবুব পাহাড়ে লড়াই করছে। এলাকাটি তাইজ ও লাহিজ প্রদেশের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।

নিহতদের মধ্যে হুতি মিলিশিয়ার কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডার রয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। দীর্ঘদিন ধরে যোদ্ধা নিয়োগ, সামরিক তৎপরতা সংগঠিত করা এবং বিভিন্ন যুদ্ধ পরিচালনায় তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। অন্যদিকে, ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর দাবি, পুরো দেশের আকাশসীমায় তাদের নিরঙ্কুশ আধিপত্য রয়েছে। হুতিরা যেসব এলাকায় অবস্থান নিয়েছে, সেগুলোও তারা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে।

বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে পৌঁছানোর পরপরই হুতিরা ঘোষণা দেয়, তারা যুক্তরাষ্ট্রের এমনকি ইসরায়েলের জাহাজেও হামলা চালাবে না। বার্তা সংস্থা রয়টার্স একাধিক সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে। তবে হুতিদের এই আশ্বাস ওয়াশিংটনকে খুব একটা আস্থায় আনতে পারেনি বলে মনে হচ্ছে। বরং সেখানে আকস্মিকভাবে বড় ধরনের সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টির প্রস্তুতি চলছিল বলে খবর পাওয়া গেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্যাম্প ডেভিডে অবস্থানের সময় কমিয়ে দ্রুত ওয়াশিংটনে ফিরে আসেন। সেখানে মার্কিন সামরিক গোয়েন্দারা তাঁকে ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলে হুতিদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলার কয়েকটি বিকল্প পরিকল্পনা তুলে ধরেন। হুতিরা ওই উপকূলের বিস্তীর্ণ এলাকায়, বাব আল-মান্দেব প্রণালি পর্যন্ত পৌঁছেছে। তবে পরে যুক্তরাষ্ট্র হামলার পরিকল্পনা থেকে সরে আসে।

এদিকে ইয়েমেনের রণক্ষেত্রে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির উপস্থিতি নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এসব প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাহিনীটির বিশেষজ্ঞরা ইয়েমেনের তাইজ প্রদেশ ও দেশটির পশ্চিম উপকূলে সামরিক অভিযান পরিচালনায় ভূমিকা রাখছেন। ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা, ড্রোন এবং প্রযুক্তিগত ও রসদ সহায়তার মাধ্যমেও তারা হুতিদের সহায়তা দিচ্ছেন। কিছু বিশ্লেষকের মতে, ইরানের এই সহায়তা ছাড়া হুতিদের পক্ষে এত দূর অগ্রসর হওয়া সম্ভব হতো না।

তবে হুতি আন্দোলন নিয়ে গবেষণা করা অন্য বিশ্লেষকেরা ভিন্ন মত পোষণ করেন। তাঁদের মতে, হুতিরা এখন এমন একটি শক্তিতে পরিণত হয়েছে, যাদের সামরিক কাঠামো ও সক্ষমতার সঙ্গে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর মিল রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে তাদের সক্ষমতা ইরানি বাহিনীর সমপর্যায়েও পৌঁছেছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, হুতিরা এখন একাধিক ফ্রন্টে যুদ্ধ করছে। ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলের কয়েক শ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তাদের সামরিক তৎপরতা রয়েছে। পাশাপাশি মারিব, আল-জাওফ, আল-বাইদা, তাইজ, আল-দালিয়া, লাহিজসহ বিভিন্ন এলাকায়ও তারা লড়াই করছে।

তবে এই বিস্তৃতি হুতিদের জন্য একই সঙ্গে সুযোগ ও ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। নতুন নতুন এলাকা দখল করতে গিয়ে তাদের সামরিক শক্তি অনেক বেশি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে প্রতিটি ফ্রন্টে পর্যাপ্ত শক্তি ধরে রাখা কঠিন হয়ে উঠতে পারে। বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করেন, দক্ষিণ দিকে হুতিদের অগ্রযাত্রার ফলে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে তাদের প্রধান ঘাঁটিগুলোও ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

হুতিদের এই সামরিক তৎপরতা আরও একটি প্রশ্ন সামনে এনেছে। তারা কি নিজেদের স্বার্থে যুদ্ধ করছে, নাকি ইরানের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে? অনেকের ধারণা, তাদের কর্মকাণ্ড ইয়েমেনের জনগণের চেয়ে ইরানের স্বার্থের সঙ্গেই বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।

বাস্তবে ইয়েমেনের অধিকাংশ মানুষ মনে করেন, চলমান যুদ্ধ তাঁদের নিজেদের যুদ্ধ নয়। ইরানের সমর্থনে কিংবা আঞ্চলিক অন্য কোনো শক্তির সঙ্গে জোট বেঁধে—যেভাবেই এই যুদ্ধ পরিচালিত হোক না কেন, এর সঙ্গে সাধারণ ইয়েমেনিদের স্বার্থের মিল নেই।

আনোয়ার আল-আনসি ইয়েমেনের লেখক। সৌদিভিত্তিক মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী ম্যাগাজিন আল মাজালা থেকে নেওয়া


Advance News

সংবাদ পরিবেশনার আধুনিক সমাধান

কপিরাইট © ২০২৬ Advance News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত