১৬ গ্রামে ভেষজ চাষে কৃষকদের আয় বেড়েছে, যা গ্রামটির অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে। এই গ্রামে এখন তুলসী, অশোক, গাঁদা, পুদিনা ও লবঙ্গের চাষ চলছে। ২০২৩ সালের শেষে ৫০০ টন ভেষজ উৎপন্ন হয়েছে, যা আগের বছরের ২২০ টনের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। গ্রাম প্রধান শ্রীমতি সুমন বলেন, "ভেষজ চাষে আমাদের জীবিকা উন্নত হয়েছে এবং শিশুদের শিক্ষায়ও বিনিয়োগ বাড়াতে পেরেছি।" স্থানীয় কৃষি অফিস আগামী মাসে নতুন প্রযুক্তি ও বাজার সংযোগ কর্মশালা আয়োজন করবে, যাতে গ্রামবাসীরা উচ্চমানের ভেষজ রপ্তানির সুযোগ পেতে পারে।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।