প্রতিবছরের মতো এবারও উৎসবের মৌসুমে দেশের বিভিন্ন খাবারের দোকান ও হোটেলগুলোতে নতুন নতুন মিষ্টির আবির্ভাব ঘটেছে। এবারের উৎসবে রসগোল্লার পায়েসের বিশেষ চাহিদা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা স্বাদের নেশায় খাবারপ্রেমীদের আকৃষ্ট করছে। ঐতিহ্যবাহী পায়েসের সাথে রসগোল্লার মিশ্রণে তৈরি এই নতুন স্বাদ উৎসবের টেবিলকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলছে। রান্নাবান্নার বিশেষজ্ঞদের মতে, রসগোল্লার পায়েস তৈরির জন্য প্রথমে রসগোল্লার গোলাপী রঙের ভরাট অংশ আলাদা করে নেওয়া হয় এবং সেটি ঘন দুধ ও চিনির সাথে মিশিয়ে পায়েসের মূল মিশ্রণে যোগ করা হয়। এরপর এতে নারকেল, খেজুরের রস এবং সামান্য এলাচের গুঁড়া মিশিয়ে ধীর আঁচে পাক করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় রসগোল্লার নরম ভাব পায়েসের সাথে মিশে একটি অনন্য ও মসৃণ স্বাদ তৈরি হয়, যা ঐতিহ্যবাহী পায়েসের চেয়ে ভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতা দেয়। বাজারজরিপে দেখা গেছে, নতুন প্রজন্মের মধ্যে এই ধরনের ফিউশন মিষ্টির প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। খাবারের দোকানদাররা জানিয়েছেন, গত কয়েক দিনে রসগোল্লার পায়েসের বিক্রি সাধারণ পায়েসের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। খাবারপ্রেমীরা মনে করছেন, উৎসবের সময় পরিবারের সদস্যদের সাথে নতুন কোনো স্বাদ ভাগ করে নেওয়া তাদের আনন্দ দ্বিগুণ করে। উৎসবের মৌসুমে স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের প্রতিও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। রসগোল্লার পায়েসে সাধারণত কম চিনি ব্যবহার করা হয়, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও কিছুটা নিরাপদ হতে পারে, যদিও পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। আগামী দিনে আরও নতুন নতুন ফিউশন মিষ্টির আবির্ভাবের সম্ভাবনা রয়েছে, যা দেশের খাদ্য সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।