দ্যাখা ২৪ এপ্রিল, কেন্দ্রীয় নেতা মোহাম্মদ হাসান তার পার্টির মূল কাঠামো থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। তিনি এনসিপি-র সঙ্গে জামায়াতের সম্ভাব্য একতার অভিযোগ তুলে এই সিদ্ধান্ত নেন, যা পার্টির নীতিগত অবস্থানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। এই অভিযোগের পটভূমিতে এনসিপি সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াতের সঙ্গে রাজনৈতিক সমন্বয়ের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চালিয়ে আসছে বলে জানানো হয়। পার্টির অভ্যন্তরে এই বিষয়টি নিয়ে মতবিরোধ বাড়তে থাকে, এবং কিছু সদস্যের মতে এটি পার্টির মূল আদর্শকে ক্ষুণ্ন করতে পারে। দলীয় মুখপাত্র মুহাম্মদ আলী এই অভিযোগকে অস্বীকার করে জানান, এনসিপি কোনো আনুষ্ঠানিক সমঝোতা বা জোটের পরিকল্পনা করেনি এবং জামায়াতের সঙ্গে কোনো একতা গড়ে তোলার কোনো ইচ্ছা নেই। তবুও, অভ্যন্তরীণ চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পার্টির নেতৃত্বের মধ্যে মতবৈষম্য স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেন, কেন্দ্রীয় নেতার পদত্যাগ পার্টির ভবিষ্যৎ কৌশল এবং আসন্ন নির্বাচনে তার অবস্থানকে প্রভাবিত করতে পারে। যদি এনসিপি-জামায়াতের সমন্বয়ের সম্ভাবনা সত্যি হয়, তবে এটি দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে নতুন জোটের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।