কোরিয়ান সৌন্দর্যচর্চা থেকে উদ্ভূত গ্লাস স্কিন ট্রেন্ড সাম্প্রতিক মাসে বাংলাদেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে মসৃণ, আভিজাত্যপূর্ণ ত্বকের চেহারা অর্জনের জন্য এই পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে; তবে বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করছেন যে, এই প্রবণতা ত্বকের স্বাস্থ্যের উপর অনাকাঙ্ক্ষিত প্রভাব ফেলতে পারে। গ্লাস স্কিনের মূল ধারণা হল ত্বকে অতিরিক্ত আর্দ্রতা বজায় রেখে আলোকসজ্জা প্রতিফলিত করা, যার জন্য একাধিক সিরাম, ময়েশ্চারাইজার এবং হালকা এক্সফোলিয়েন্ট ব্যবহার করা হয়। যদিও এই পদ্ধতি ত্বকে তাত্ক্ষণিক উজ্জ্বলতা প্রদান করে, ত্বকের প্রাকৃতিক বাধা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, রসায়নিক উপাদানের অতিরিক্ত সংস্পর্শ এবং অতিরিক্ত এক্সফোলিয়েশন ত্বকে রেডিনেস, সংবেদনশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি ঘটাতে পারে বলে ডার্মাটোলজিস্টরা সতর্ক করছেন। গবেষণায় দেখা গেছে, ত্বকের পিএইচ স্তর পরিবর্তন এবং তেল উৎপাদন নিয়ন্ত্রণে ব্যাঘাত ঘটলে ব্রেকআউট, পিগমেন্টেশন এবং শুষ্কতা বৃদ্ধি পায়। বিশেষজ্ঞরা গ্লাস স্কিনের অনুসরণকারীদের পরামর্শ দিচ্ছেন যে, পণ্য নির্বাচন ও ব্যবহার পদ্ধতিতে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত, বিশেষ করে ত্বকের সংবেদনশীলতা ও পূর্ববর্তী ত্বক সমস্যার ক্ষেত্রে। নিয়মিত ত্বক পরীক্ষা, ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শ এবং প্রাকৃতিক উপাদানযুক্ত পণ্যের ব্যবহার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে। সরকারী স্বাস্থ্য সংস্থা ও ভোক্তা সুরক্ষা দপ্তরও এই প্রবণতা সম্পর্কিত তথ্য প্রচার এবং নিরাপদ পণ্য ব্যবহারের নির্দেশিকা তৈরির পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।