সরকার আজ ঢাকা শহরে নতুন ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ নীতি ঘোষণা করেছে, যা অনলাইন প্ল্যাটফর্মের বিষয়বস্তু ও ডেটা ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করবে। এই নীতি ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে এবং লঙ্ঘনের জন্য জরিমানা ও লাইসেন্স বাতিলের শাস্তি নির্ধারিত। নিয়ন্ত্রণ নীতিতে সামাজিক মিডিয়া, স্ট্রিমিং সেবা ও ই-কমার্স সাইটগুলোকে নির্দিষ্ট মানদণ্ড মেনে চলতে হবে। তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও শেয়ারিং প্রক্রিয়ায় ব্যবহারকারীর সম্মতি নিশ্চিত করতে হবে এবং সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি টাকা জরিমানা অথবা কার্যক্রম স্থগিতের শাস্তি আরোপ করা হবে। পূর্বে সরকার অনলাইন কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণে স্বেচ্ছাসেবী নির্দেশিকা প্রয়োগ করলেও তা পর্যাপ্ত ফলাফল দেয়নি। বাড়তে থাকা মিথ্যা তথ্য ও গোপনীয়তা লঙ্ঘনের উদ্বেগের ফলে কঠোর আইনি কাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়েছে। এই নীতি সেই ফাঁক পূরণে লক্ষ্য রাখে। মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ড. রাহুল চক্রবর্তী নীতির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেছিলেন, "ডিজিটাল পরিবেশে নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জাতীয় স্বার্থের অংশ।" তবে শিল্প সমিতি কিছু শর্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, বিশেষ করে ছোট ব্যবসার ওপর আর্থিক চাপ বাড়তে পারে বলে। বিশ্লেষকরা আশা করেন, নীতি কার্যকর হলে অনলাইন সেবা ব্যবহারকারীর বিশ্বাস বাড়বে এবং সাইবার অপরাধের হার কমবে। তবে বাস্তবায়নের সময় প্রযুক্তি কোম্পানি ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার সমন্বিত কাজ প্রয়োজন হবে।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।