বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাম্প্রতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০২৩ সালে গ্রামীণ এলাকায় মোট পরিবারের ৪৫ শতাংশ ঋণগ্রস্ত ছিল, যেখানে শহরের একই সময়ে এই হার ৩২ শতাংশে সীমাবদ্ধ। গ্রামে ঋণগ্রস্ততার প্রধান কারণ হিসেবে সীমিত আয়, মৌসুমী কৃষি আয়ের অনিশ্চয়তা এবং উচ্চ সুদের অনানুষ্ঠানিক ঋণদাতার ওপর নির্ভরতা উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আর্থিক সাক্ষরতার অভাব এবং ব্যাংক শাখার কম উপস্থিতি এই সমস্যাকে বাড়িয়ে তুলছে। সরকার ও বিভিন্ন এনজিও এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় মাইক্রো ক্রেডিট স্কিম, গ্রামীণ আর্থিক অন্তর্ভুক্তি প্রকল্প এবং কৃষক ঋণ সুরক্ষা পরিকল্পনা চালু করেছে। তবে বাস্তবায়নের ধীরগতি এবং লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তার ঘাটতি এখনও সমাধানযোগ্য বিষয় রয়ে গেছে। ভবিষ্যতে যদি ঋণগ্রস্ত পরিবারের হার কমাতে কার্যকর নীতি ও আর্থিক শিক্ষা কার্যক্রম দ্রুত চালু করা যায়, তবে গ্রামীণ অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ও দারিদ্র্য হ্রাসে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্ভব হবে।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।