বাংলাদেশ সরকার ২০৩৫ সালের মধ্যে সিসা মুক্ত দেশ গঠনের লক্ষ্য ঘোষণা করেছে, শিশুদের তামাক ঝুঁকি কমাতে বিক্রয় নিষেধ, কর বৃদ্ধি এবং স্কুলে শিক্ষামূলক প্রোগ্রামসহ কঠোর নীতি ও সচেতনতা কর্মসূচি চালু করবে।
সরকার ২০৩৫ সালের মধ্যে সিসা মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য ঘোষণা করেছে। এতে শিশুদের তামাক ব্যবহারের ঝুঁকি কমানোকে প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট নীতি প্রণয়ন করা হবে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় নতুন বিধান প্রণয়ন করে বিক্রয় সীমা বৃদ্ধি, স্কুল ও পাবলিক স্থানে সিসা বিক্রয় নিষেধ, তামাক পণ্যের কর বৃদ্ধি এবং ব্যাপক সচেতনতা ক্যাম্পেইন চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। লক্ষ্য হল বর্তমান সময়ে প্রায় ১৫ শতাংশ শিশুদের তামাক ব্যবহারকে অর্ধেকের নিচে নামিয়ে আনা।
বাংলাদেশে তামাকের ব্যবহার দীর্ঘদিনের জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ। পূর্বে বিভিন্ন ধূমপান বিরোধী আইন প্রণয়ন করা হলেও বাস্তবায়নে ঘাটতি রয়ে গিয়েছে। নতুন পরিকল্পনা পূর্ববর্তী নীতিগুলোর দুর্বলতা দূর করে তামাক নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দিকে মনোযোগ দেয়।
মন্ত্রীর অফিসের মুখপাত্র উল্লেখ করেছেন, "শিশুদের স্বাস্থ্যের সুরক্ষা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। সিসা মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য সকল সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও সমাজের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।" স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও এনজিওগুলোও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, কার্যকর বাস্তবায়ন ছাড়া লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে।
পরবর্তী ধাপে নীতি প্রণয়নের পর দ্রুত বাস্তবায়ন, পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং নিয়মিত মূল্যায়ন অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সফল বাস্তবায়ন হলে ২০৩৫ সালের মধ্যে শিশুদের তামাক সংস্পর্শ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে এবং জাতীয় স্বাস্থ্য সূচকে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাবে।
মতামত