আইসিসি আর্থিক প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে যে ভারতকে আসন্ন ক্রিকেট ক্যালেন্ডার থেকে কোটি কোটি ডলার পাওয়া যাবে, আর পশ্চিম ইন্ডিজের আয় শূন্য, যা দুই দলের আর্থিক পার্থক্যকে তুলে ধরে।
আইসিসি (আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল) সম্প্রতি প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে যে ভারতকে আসন্ন ক্রিকেট ক্যালেন্ডার থেকে কোটি কোটি ডলার আয় নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সময়ে পশ্চিম ইন্ডিজের ক্রিকেট বোর্ডের আয় শূন্য বলে রেকর্ড করা হয়েছে, যা দুই দলের আর্থিক অবস্থার মধ্যে বিশাল পার্থক্য নির্দেশ করে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে ভারতের আয়ের প্রধান উৎস হল টেলিভিশন সম্প্রচার অধিকার, স্পনসরশিপ এবং আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের হোস্টিং ফি। আইসিসি কর্তৃক নির্ধারিত বণ্টন নীতির অধীনে ভারতকে সর্বোচ্চ অংশ দেওয়া হয়েছে, বিশেষত আইসিসি বিশ্বকাপ এবং টি২০ বিশ্বকাপের আয় ভাগের ফলে। অন্যদিকে, পশ্চিম ইন্ডিজের আয় শূন্য হওয়ার কারণ হল সাম্প্রতিক সময়ে ঘরোয়া সিরিজের অভাব, সীমিত টেলিভিশন চুক্তি এবং স্পনসরশিপের ঘাটতি।
বেসি সি (ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড) প্রধানের একটি বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, "ভারতের ক্রমবর্ধমান বাজার এবং আইসিসি থেকে প্রাপ্ত বণ্টন আমাদের আর্থিক শক্তি বৃদ্ধি করেছে।" অপরপক্ষে, সিসি (পশ্চিম ইন্ডিজের ক্রিকেট বোর্ড) প্রধানের মতে, "আয় শূন্য হওয়া আমাদের বর্তমান চ্যালেঞ্জের প্রতিফলন, তবে ভবিষ্যতে ঘরোয়া সিরিজ এবং নতুন স্পনসরশিপ চুক্তি মাধ্যমে পরিস্থিতি উন্নত করা সম্ভব।"
বিশ্লেষকরা ইঙ্গিত দেন যে, পশ্চিম ইন্ডিজের আর্থিক পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে যদি তারা নিয়মিত আন্তর্জাতিক সিরিজ আয়োজন করে এবং টেলিভিশন অধিকার পুনরায় আলোচনায় অংশ নেয়। আইসিসি ভবিষ্যতে বণ্টন নীতি পুনর্বিবেচনা করে সকল সদস্য দেশের আর্থিক সমতা নিশ্চিত করার সম্ভাবনা রয়েছে।
মতামত