কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ঝুঁকি কমাতে হবে। তবে নিয়ন্ত্রণের কারণে যেন এর সুফল বাধাগ্রস্ত না হয়। গুগল ডিপমাইন্ডের প্রধান এআই প্রস্তুতি কর্মকর্তা লীলা ইব্রাহিম এই মন্তব্য করেছেন।
তিনি বলেন, শুরু থেকেই এআই তৈরিতে নিরাপত্তা ও দায়িত্বশীলতা রাখতে হবে। নিয়ন্ত্রণ হতে হবে প্রযুক্তির উপযোগী। বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত এআইয়ের দায়িত্ব কোনো একক দেশ বা প্রতিষ্ঠানের নয়। সরকার, এআই প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা প্রয়োজন। প্রযুক্তিটিকে আলাদাভাবে না দেখে ব্যবহারের ভিত্তিতে নিয়ম করার পক্ষে তিনি।
শিক্ষায় এআই শিক্ষককে সহায়তা করে ব্যক্তিভিত্তিক শেখার সুযোগ দিতে পারে। জেমিনির ‘গাইডেড লার্নিং’ উত্তর না দিয়ে ধাপে ধাপে শেখায়। তার ভাষ্য, সিয়েরা লিওনে আট সপ্তাহের পরীক্ষায় শিক্ষকের সহায়তায় এর ব্যবহারকারী মধ্যবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গণিতে দেড় বছরের সমপরিমাণ অগ্রগতি করেছে। উত্তর আয়ারল্যান্ডের পরীক্ষামূলক কর্মসূচিতে শিক্ষকেরা সপ্তাহে ১০ ঘণ্টা বাঁচানোর কথা জানিয়েছেন।
তার মতে, পরীক্ষায় পাসের চেয়ে শেখা জরুরি। এআই যেন অ্যাসাইনমেন্টের শর্টকাট না হয়।
পেন্টিয়াম প্রসেসরে কাজ করা এই তড়িৎ প্রকৌশলী পরিবর্তনশীল চাকরির জন্য দক্ষতা বাড়াতে বলেন। তিনি বলেন, এআই গবেষণা ও নিয়মিত কাজে সাহায্য করবে। তবে কৌতূহল, সমস্যা সমাধান, বিচারবোধ এবং মানুষ-প্রতিষ্ঠানের প্রেক্ষাপট বোঝার মানবিক অবদান প্রতিষ্ঠানগুলোকেই চিহ্নিত করতে হবে।
বিডিপ্রতিদিন/কেকে