চীনে আগামীকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১৮তম এশিয়ান অ্যাপিকালচার অ্যাসোসিয়েশন সম্মেলন। এতে বাংলাদেশের ২১ সদস্যের একটি দল অংশ নিচ্ছে। মৌয়াল, মৌচাষি, মধু ব্যবসায়ী, গবেষক, উদ্যোক্তা ও ভোক্তাদের সমন্বয়ে গঠিত এই দল সম্মেলনে দুটি মৌখিক গবেষণা উপস্থাপন (ওরাল প্রেজেন্টেশন) ও দুটি পোস্টার উপস্থাপন করবে।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, সম্মেলনে বাংলাদেশসহ ২০ দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ৩০০ জন শিল্পবিশেষজ্ঞ, ৬০০ জন পেশাজীবী দর্শনার্থী ও ১০০টি কোম্পানি অংশ নেবে। দেশের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মৌ সম্মেলনে অংশ নেওয়া দলগুলোর মধ্যে এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড়।
সম্মেলনে মধুর গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে মৌখিক গবেষণা উপস্থাপন করবেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিকুল ইসলাম। বাংলাদেশের আধুনিক মৌচাষের ওপর গবেষণা উপস্থাপন করবেন আল মদিনা হানি অ্যাগ্রো এন্টারপ্রাইজের মো. আকমুল হোসাইন মাহমুদ ও আলওয়ান মিউজিয়ামের মধু গবেষক সৈয়দ মোহাম্মদ মঈনুল আনোয়ার।
পোস্টার উপস্থাপনের একটি বিষয় সুন্দরবনের মধু। ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে সুন্দরবনের মধুকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে পোস্টারটি নির্বাচিত হয়েছে। অন্য পোস্টারটির বিষয় বাংলাদেশের মৌচাষের আধুনিকায়ন।
সম্মেলনে মৌচাষ ও মধুশিল্পের বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন তুলে ধরা হবে। প্রদর্শনীতে থাকবে মৌবিষ দিয়ে চিকিৎসা, মধুর গুণগত মান পরীক্ষার আধুনিক পদ্ধতি, মৌমাছির খাদ্য এবং মধু উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের আধুনিক যন্ত্রপাতি।
সম্মেলন শেষে অতিথিদের ফুজিয়ান এগ্রিকালচার অ্যান্ড ফরেস্ট্রি ইউনিভার্সিটিসহ চীনের ফুজিয়ান প্রদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করানো হবে।