বক্স অফিসে একের পর এক রেকর্ড ভাঙার পর এবার গ্র্যামি আওয়ার্ডস হাতছাড়া করতে চান না রণবীর সিং অভিনীত ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ ছবির নির্মাতারা। তাদের লক্ষ্য এখন এই পুরস্কার। আদিত্য ধর পরিচালিত এই ছবির গান জমা পড়েছে ২০২৭ সালের ৬৯তম গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের একাধিক বিভাগে।
টি-সিরিজ এবং বি৬২ স্টুডিওজের তরফে এই খবর জানানো হয়েছে। ছবির পুরো অ্যালবাম যেমন জমা দেওয়া হয়েছে, তেমনই আলাদা করে পাঠানো হয়েছে মোট ৯টি গান। শুধু তাই নয়, গ্র্যামি জয়ের জন্য ব্যাপক হারে ক্যাম্পেইন করবে ছবির নির্মাতারা।
কোন গান কোন বিভাগে?
সঙ্গীত পরিচালক শাশ্বত সচদেবের তৈরি ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’-এর পুরো অ্যালবাম জমা পড়েছে ‘বেস্ট কম্পাইলেশন সাউন্ডট্র্যাক ফর ভিজ্যুয়াল মিডিয়া’ বিভাগে।
অরিজিৎ সিংয়ের গাওয়া ‘ফির সে’ জমা পড়েছে ‘বেস্ট সং রিটেন ফর ভিজ্যুয়াল মিডিয়া’ বিভাগে। বম্বে রকার্স, খান সাব, জ্যাসমিন স্যান্ডলাস, রেবল, টোকেন এবং সুধীর যাদুবংশীদের গাওয়া ‘আরি আরি’ পাঠানো হয়েছে ‘বেস্ট এশিয়ান পপ মিউজিক পারফরম্যান্স’ বিভাগে।
এ ছাড়াও ‘জান সে গুজরাতে হ্যায়’ এবং ‘কানহাইয়া’ জমা পড়েছে ‘বেস্ট গ্লোবাল মিউজিক পারফরম্যান্স’ বিভাগে। জ্যাসমিন স্যান্ডলাস ও সতিন্দর সরতাজের গাওয়া ‘যাইয়ে সাজনা’ রয়েছে ‘বেস্ট পপ ডুও/গ্রুপ পারফরম্যান্স’ বিভাগের তালিকায়।
অন্য গানগুলির মধ্যে ‘ডেস্টিনি- মন আটকিয়া’ জমা পড়েছে ‘বেস্ট র্যাপ পারফরম্যান্স’-এর জন্য, ‘ভারি জাভান’ পাঠানো হয়েছে ‘বেস্ট ড্যান্স/ইলেকট্রনিক রেকর্ডিং’ বিভাগে এবং ‘হাম প্যায়ার করনে ওয়ালে’ রয়েছে ‘বেস্ট রিমিক্সড রেকর্ডিং’ বিভাগের জন্য জমা দেওয়া গানগুলির তালিকায়।
গ্র্যামির দৌড়ে নাম লেখানোর আগে থেকেই বাণিজ্যিক সাফল্যের নিরিখে আলোচনায় ‘ধুরন্ধর’ সিরিজ। ২০২৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল প্রথম ছবি ‘ধুরন্ধর’। তারপর ২০২৬ সালের মার্চে মুক্তি পায় দ্বিতীয় ভাগ ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’। বাণিজ্য বিশ্লেষক ওয়েবসাইট স্যাকনিকের রিপোর্ট অনুযায়ী, দুটি ছবি মিলিয়ে বিশ্বজুড়ে আয় হয়েছে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা। এই আয় ‘বাহুবলী’ এবং ‘পুষ্পা’ সিরিজের সম্মিলিত আয়ের চেয়েও বেশি বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।
মুক্তির দিনেই ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ ভারতে ১০২ দশমিক ৫৫ কোটি টাকার ব্যবসা করেছিল। চলতি বছরের মার্চে দেশজুড়ে ২১ হাজার ৭২৮টি স্ক্রিনে মুক্তি পেয়েছিল ছবিটি।
মতামত