প্রথম আলো ডটকম আয়োজিত নবম ‘অনলাইন আবাসন মেলা-২০২৬’-এ সবচেয়ে বেশি প্রদর্শিত প্রকল্পের জন্য তিনটি প্রতিষ্ঠান সম্মাননা পেয়েছে। প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো রূপায়ণ হাউজিং এস্টেটের রূপায়ণ লেক ক্যাসেল, ট্রপিক্যাল হোমস্ লিমিটেডের ট্রপিক্যাল হায়দার আম্রপুরী ও র্যানকন রিয়েল এস্টেটের তিলোত্তমা প্রকল্প।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর অনলাইনে শুরু হওয়া এ মেলা শেষ হয় ৩ অক্টোবর। আজ শনিবার আয়োজন করা হয় আবাসন খাতের ব্যবসায়ী ও মেলায় অংশগ্রহণকারীদের সম্মিলন অনুষ্ঠানের। রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত আবাসন খাতের ব্যবসায়ীদের এ সম্মিলনে প্রতিষ্ঠান তিনটিকে সম্মাননা জানানো হয়। প্রতিষ্ঠান তিনটির শীর্ষ ব্যক্তিদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন ডিবিএল সিরামিকসের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুর রহিম ও প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ।
৯মবারের মতো আয়োজিত এবারের অনলাইন আবাসন মেলার স্লোগান ছিল ‘সময় এসেছে আবার, ঘরে বসেই স্বপ্নের আবাস খোঁজার’। এবারের মেলার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিল ডিবিএল সিরামিকস। কৌশলগত অংশীদার ছিল আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাব। এ ছাড়া ইস্টার্ন ব্যাংক (ইবিএল) ব্যাংকিং পার্টনার, আইপিডিসি ফাইন্যান্স ফিন্যান্সিয়াল পার্টনার এবং হোটেল গ্র্যান্ড প্যাসিফিক মেলার কুইজের স্পনসর ছিল।
আজ শনিবার সন্ধ্যায় সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্যে ডিবিএল সিরামিকসের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুর রহিম বলেন, ‘প্রথম আলোর এ আয়োজনে আমরা আটবার লিড স্পনসর হিসেবে যুক্ত ছিলাম। প্রতিবছর এ আয়োজনের মাধ্যমে আমরা আমাদের পণ্যগুলো তুলে ধরার সুযোগ পাই, যা আমাদের ব্যবসায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। পণ্য উদ্ভাবন, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ও টেকসই পণ্য তৈরিতে আমরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছি। আমাদের সিরামিক টাইলসসহ বিভিন্ন পণ্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি ও পুরস্কার পেয়েছে। ভবিষ্যতেও পণ্য উদ্ভাবনের এ ধারা অব্যাহত থাকবে।’
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ। এ সময় তিনি বলেন, প্রথম আলোর এ আয়োজনে এবার অভিজ্ঞতা বিনিময়ের নতুন উদ্যোগ যুক্ত হয়েছে। এ খাতের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও পেশাজীবীদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ অনুষ্ঠানকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতি কয়েক বছর ধরে নানা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতেও আবাসন খাত দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেক শিল্প ও ব্যবসা গড়ে উঠেছে, যা কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখছে। তিনি আরও বলেন, ‘অনেক দিন পর দেশে একটি শান্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সামনে পরিস্থিতি কেমন হবে, তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। তবে আমরা প্রত্যাশা করি, সবাই ভালো থাকবেন এবং নিজ নিজ ক্ষেত্রে সফল হবেন।’
এবারের মেলায় মোট স্টল ছিল ২৫টি। আর ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩১৩ কাঠা প্লট ও ২ লাখ ৩৩ হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাট প্রদর্শিত হয়েছে। এ ছাড়া ওয়েবসাইটে মোট প্রকল্পের সংখ্যা ছিল ১০৫। ওয়েবসাইটে আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন প্রকল্পের খোঁজখবর নেন ২ লাখ ১৩ হাজার জন। প্রকল্পগুলোর পেজ ভিউ হয়েছে প্রায় ১০ লাখ। ১০ দিনের এ মেলায় সম্ভাব্য ক্রেতাদের কাছ থেকে ৮ হাজারের বেশি সাড়া পাওয়া গেছে।
সম্মাননা প্রদানের আগে আমন্ত্রিত অতিথিদের সম্মানে এক সংগীত সন্ধ্যার আয়োজন ছিল। এতে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী মাহতিম শাকিব।
মতামত