ঢাকা    শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩
Advance News

ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর



ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর
ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর

ব্যাংক খাতকে ব্যাপক ‘আর্থিক লুটপাট ও কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি’ থেকে পুনরুদ্ধারে পাঁচ থেকে আট বছর পর্যন্ত জাতীয় বাজেট থেকে প্রতিবছর ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।

শনিবার রাজধানীর ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ইউআইইউ) ওয়ান ব্যাংক পিএলসি আয়োজিত বাংলা কিউআর লেনদেনের প্রচার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আর্থিক খাতের অর্থপাচার ও অনিয়মের ব্যাপকতা তুলে ধরে গভর্নর বলেন, তিনি যখন গভর্নরের দায়িত্ব নেন, তখন ব্যাংকিং ব্যবস্থার মোট তহবিলের এক-তৃতীয়াংশই লুট হয়ে গিয়েছিল।

আর্থিক খাত থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগব্যয় তুলে ধরে গভর্নর বলেন, এই পরিমাণ অর্থ দিয়ে সরকার দুই কোটি পরিবারকে সহায়তা দিতে পারত অথবা পদ্মা সেতুর মতো দুটি বড় অবকাঠামো প্রকল্প নির্মাণ করতে পারত।

ব্যাংকিং ব্যবস্থার তারল্য সংকটের জন্য দায়ীদের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, এ অপরাধের ভয়াবহতা বোঝাতে প্রচলিত শব্দ যথেষ্ট নয়।

মোস্তাকুর রহমান বলেন, লুটেরা গোষ্ঠী জনগণের অর্থ লুট করেছে। এটি সাধারণ চুরি নয়; এটি ছিল লুটপাট।

গভর্নর আশ্বস্ত করে বলেন, ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম ও অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং লুট হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধারে ইতোমধ্যে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

বিডি প্রতিদিন/জেডএ

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Advance News

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর

প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ব্যাংক খাতকে ব্যাপক ‘আর্থিক লুটপাট ও কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি’ থেকে পুনরুদ্ধারে পাঁচ থেকে আট বছর পর্যন্ত জাতীয় বাজেট থেকে প্রতিবছর ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।

শনিবার রাজধানীর ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ইউআইইউ) ওয়ান ব্যাংক পিএলসি আয়োজিত বাংলা কিউআর লেনদেনের প্রচার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আর্থিক খাতের অর্থপাচার ও অনিয়মের ব্যাপকতা তুলে ধরে গভর্নর বলেন, তিনি যখন গভর্নরের দায়িত্ব নেন, তখন ব্যাংকিং ব্যবস্থার মোট তহবিলের এক-তৃতীয়াংশই লুট হয়ে গিয়েছিল।

আর্থিক খাত থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগব্যয় তুলে ধরে গভর্নর বলেন, এই পরিমাণ অর্থ দিয়ে সরকার দুই কোটি পরিবারকে সহায়তা দিতে পারত অথবা পদ্মা সেতুর মতো দুটি বড় অবকাঠামো প্রকল্প নির্মাণ করতে পারত।

ব্যাংকিং ব্যবস্থার তারল্য সংকটের জন্য দায়ীদের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, এ অপরাধের ভয়াবহতা বোঝাতে প্রচলিত শব্দ যথেষ্ট নয়।

মোস্তাকুর রহমান বলেন, লুটেরা গোষ্ঠী জনগণের অর্থ লুট করেছে। এটি সাধারণ চুরি নয়; এটি ছিল লুটপাট।

গভর্নর আশ্বস্ত করে বলেন, ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম ও অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং লুট হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধারে ইতোমধ্যে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

বিডি প্রতিদিন/জেডএ


Advance News

সংবাদ পরিবেশনার আধুনিক সমাধান

কপিরাইট © ২০২৬ Advance News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত