ঢাকা    মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
Advance News

দেশে হাম সংক্রমণে মোট ১২০০ জনের মৃত্যু রেকর্ড



দেশে হাম সংক্রমণে মোট ১২০০ জনের মৃত্যু রেকর্ড
দেশে হাম সংক্রমণে মোট ১২০০ জনের মৃত্যু রেকর্ড
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হাম সংক্রমণে দেশব্যাপী ১২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে; সরকার জরুরি সতর্কতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গত সপ্তাহে জানিয়েছে যে, দেশব্যাপী হাম সংক্রমণের ফলে মোট ১২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা পূর্বের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই বছর হাম রোগের নিশ্চিত কেসের সংখ্যা ৪৫,০০০ অতিক্রম করেছে, যার মধ্যে অধিকাংশ কেস ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী অঞ্চলে রিপোর্ট হয়েছে। রোগের প্রভাব বেশি দেখা গেছে বয়স ২০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, এবং বেশিরভাগ রোগী শ্বাসযন্ত্রের জটিলতা ও শক অবস্থায় আক্রান্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রী এ বিষয়ে জানান, "প্রতিটি রোগীর দ্রুত সনাক্তকরণ ও উপযুক্ত চিকিৎসা প্রদান করা জরুরি।" হাম, যা হেমোরেজিক ফিভার নামেও পরিচিত, প্রধানত মশা দ্বারা সংক্রমিত হয় এবং উচ্চ জ্বর, রক্তক্ষরণ ও অঙ্গপ্রতঙ্গের ব্যর্থতা সৃষ্টি করে। পূর্বে দেশটি প্রতি বছর প্রায় ২০০-৩০০ জনের মৃত্যু রেকর্ড করত, তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তন ও নগরায়নের ফলে মশার বিস্তার বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার ইতিমধ্যে জরুরি সতর্কতা জারি করেছে, আক্রান্ত এলাকায় মশা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি ত্বরান্বিত করা হবে এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার সক্ষমতা বাড়ানো হবে। পাশাপাশি, জনসাধারণকে মশা প্রতিরোধক ব্যবস্থা, যেমন মশারি ব্যবহার ও ঘরের আশেপাশে পানির জমাটবিন্দু দূর করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে টিকাদান প্রোগ্রাম চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে রোগের বিস্তার রোধ করা যায়।

বিষয় : হাম সংক্রমণ মৃত্যু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জনস্বাস্থ্য প্রতিরোধ বাংলাদেশ

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Advance News

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬


দেশে হাম সংক্রমণে মোট ১২০০ জনের মৃত্যু রেকর্ড

প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হাম সংক্রমণে দেশব্যাপী ১২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে; সরকার জরুরি সতর্কতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গত সপ্তাহে জানিয়েছে যে, দেশব্যাপী হাম সংক্রমণের ফলে মোট ১২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা পূর্বের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই বছর হাম রোগের নিশ্চিত কেসের সংখ্যা ৪৫,০০০ অতিক্রম করেছে, যার মধ্যে অধিকাংশ কেস ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী অঞ্চলে রিপোর্ট হয়েছে। রোগের প্রভাব বেশি দেখা গেছে বয়স ২০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, এবং বেশিরভাগ রোগী শ্বাসযন্ত্রের জটিলতা ও শক অবস্থায় আক্রান্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রী এ বিষয়ে জানান, "প্রতিটি রোগীর দ্রুত সনাক্তকরণ ও উপযুক্ত চিকিৎসা প্রদান করা জরুরি।" হাম, যা হেমোরেজিক ফিভার নামেও পরিচিত, প্রধানত মশা দ্বারা সংক্রমিত হয় এবং উচ্চ জ্বর, রক্তক্ষরণ ও অঙ্গপ্রতঙ্গের ব্যর্থতা সৃষ্টি করে। পূর্বে দেশটি প্রতি বছর প্রায় ২০০-৩০০ জনের মৃত্যু রেকর্ড করত, তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তন ও নগরায়নের ফলে মশার বিস্তার বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার ইতিমধ্যে জরুরি সতর্কতা জারি করেছে, আক্রান্ত এলাকায় মশা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি ত্বরান্বিত করা হবে এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার সক্ষমতা বাড়ানো হবে। পাশাপাশি, জনসাধারণকে মশা প্রতিরোধক ব্যবস্থা, যেমন মশারি ব্যবহার ও ঘরের আশেপাশে পানির জমাটবিন্দু দূর করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে টিকাদান প্রোগ্রাম চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে রোগের বিস্তার রোধ করা যায়।

Advance News

সংবাদ পরিবেশনার আধুনিক সমাধান

কপিরাইট © ২০২৬ Advance News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত