ঢাকা শহরে দাতব্য সংস্থা ও ধর্মীয় গোষ্ঠী একত্রে "ক্ষুধার্তকে খাবার" কর্মসূচি চালু করে দরিদ্রদের পুষ্টি সেবা প্রদান, ফজিলত ও সামাজিক দায়িত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে।
ঢাকা শহরের বিভিন্ন দাতব্য সংস্থা গত সপ্তাহে একত্রিত হয়ে "ক্ষুধার্তকে খাবার" শিরোনামে একটি বৃহৎ খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি চালু করেছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য গৃহহীন ও দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের তাত্ক্ষণিক পুষ্টি সেবা প্রদান করা এবং সমাজে ফজিলতের গুরুত্ব তুলে ধরা।
প্রোগ্রামের সমন্বয়কারী শ্রীমতি রেহানা ইসলাম বলেন, "ধর্মীয় গ্রন্থে ক্ষুধার্তকে খাবার খাওয়ানোকে সর্বোচ্চ ফজিলত বলা হয়েছে; তাই আমরা এই নীতি বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নিয়েছি।" তদুপরি, স্থানীয় মুফতি হাবিবুল হকও উল্লেখ করেন, "খাদ্য দান শুধু শারীরিক পুষ্টি নয়, আত্মিক শান্তি ও সামাজিক সংহতি বৃদ্ধির মাধ্যমও।"
জাতীয় পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৩ কোটি মানুষ তীব্র পুষ্টিহীনতার ঝুঁকিতে রয়েছে। পূর্বে চালু হওয়া "মিল প্লেট" প্রকল্পের অভিজ্ঞতা থেকে জানা যায়, সঠিক সময়ে খাবার সরবরাহ করলে শিশুর বৃদ্ধি ও শিক্ষার ফলাফল উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়। এই নতুন উদ্যোগটি সেই ধারাকে অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ধর্মীয় ফজিলতকে সামাজিক দায়িত্বের সঙ্গে যুক্ত করছে।
অগ্রসর পরিকল্পনা হিসেবে সংস্থাগুলি আগামী ছয় মাসে শহরের ছয়টি প্রধান এলাকায় একই রকম বিতরণ চালিয়ে যাবে এবং স্বেচ্ছাসেবক ও দাতাদের সংখ্যা দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। সরকারী দিক থেকে সমর্থন পেলে এই কর্মসূচি আরও বিস্তৃত হয়ে দেশের অন্যান্য প্রান্তে পৌঁছাতে সক্ষম হবে।
মতামত