জামায়াতের নেতা গোলাম পরওয়ারের ৭০০ রিকশা মালিকানা অভিযোগে মিল্টনের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে; পার্টি অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে।
জামায়াত-ইসলামী বাংলাদেশ ৭০০ রিকশা মালিকানা অভিযোগে যুক্ত মিল্টনের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। মিল্টন সম্প্রতি একটি সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন যে জামায়াতের প্রবীণ নেতা গোলাম পরওয়ারের বিশাল রিকশা বহর রয়েছে, যা রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই বক্তব্যের পর জামায়াতের মুখপাত্র তৎক্ষণাৎ পার্টির অফিসে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও মানহানিকর বলে চিহ্নিত করেছেন।
মিল্টনের মন্তব্যের সূত্রপাতের সময় তিনি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ও রিকশা শিল্পের অবদান নিয়ে আলোচনা করছিলেন। তবে তার বক্তব্যে গোলাম পরওয়ারের নাম উল্লেখ করে ৭০০ রিকশা মালিকানা দাবি করা হয়, যা পার্টি নেতারা অবিলম্বে প্রত্যাখ্যান করেন। জামায়াতের মুখপাত্র উল্লেখ করেন, "এধরনের অযৌক্তিক অভিযোগ কেবল রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে এবং জনমতকে বিভ্রান্ত করতে চায়। গোলাম পরওয়ারের কোনো রিকশা ব্যবসা নেই এবং তিনি কখনো এমন কোনো সম্পদের মালিক ছিলেন না।"
গোলাম পরওয়ার, যিনি জামায়াতের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক, তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে বহুবার এমন অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছেন, তবে সবসময়ই তা অস্বীকার করে আসছেন। তিনি নিজে একটি সংক্ষিপ্ত মন্তব্যে বলেছিলেন, "আমি কোনো রিকশা ব্যবসা পরিচালনা করি না; আমার কাজ ধর্মীয় ও সামাজিক সেবা প্রদান করা। এই ধরনের মিথ্যা অভিযোগের বিরুদ্ধে আমি আইনি পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।"
এই বিতর্ক দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন উত্তেজনা যোগ করেছে, বিশেষত আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে। বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, এমন অভিযোগগুলো নির্বাচনী কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে এবং জনমতকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্য থাকতে পারে। জামায়াতের নেতৃত্বের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, যদি মিল্টন কোনো প্রমাণ না উপস্থাপন করেন তবে পার্টি আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার সংরক্ষণ করবে।
মতামত