ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি গত বছর ১০ শতাংশ কমে চীনের রপ্তানি ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে; ডেটা, কারণ, সরকারি মন্তব্য ও ভবিষ্যৎ কৌশল বিশদে উপস্থাপন।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাম্প্রতিক বাণিজ্য পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ১০ শতাংশ কমে ১.২ বিলিয়ন ইউরোতে নেমে এসেছে, যেখানে একই সময়ে চীনের রপ্তানি ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১.৮ বিলিয়ন ইউরো পৌঁছেছে।
বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, ইউরোপীয় বাজারে চীনের কম দামের উৎপাদন ও দ্রুত সরবরাহ ব্যবস্থা বাংলাদেশের শেয়ার হ্রাসের প্রধান কারণ। এছাড়া, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কিছু দেশ নতুন বাণিজ্য চুক্তি ও টারিফ সুবিধা চীনের পক্ষে ব্যবহার করছে।
বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় রপ্তানি প্রচার ব্যুরো এই প্রবণতা সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করে, তারা গুণগত মান উন্নয়ন ও নতুন বাজার অনুসন্ধানের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। চীনের বাণিজ্য প্রতিনিধি বলছেন, তাদের উৎপাদন ক্ষমতা ও প্রযুক্তি উন্নতি রপ্তানি বৃদ্ধিতে সহায়ক।
বিশ্ব বাণিজ্য পরিবেশে প্রতিযোগিতা তীব্র হওয়ায়, উভয় দেশই ইউরোপীয় গ্রাহকদের চাহিদা মেটাতে মান ও দামের সমন্বয় করতে হবে। বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, বাংলাদেশ ভবিষ্যতে অন্যান্য অঞ্চলে রপ্তানি বৈচিত্র্য করে শেয়ার পুনরুদ্ধার করবে।
মতামত