ঢাকা    শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
Advance News

বিভিন্ন রঙের আতশবাজি তৈরির প্রক্রিয়া ও উপাদান



বিভিন্ন রঙের আতশবাজি তৈরির প্রক্রিয়া ও উপাদান
বিভিন্ন রঙের আতশবাজি তৈরির প্রক্রিয়া ও উপাদান
বাংলাদেশের আতশবাজি শিল্পে রঙিন বিস্ফোরক তৈরির প্রক্রিয়া, ব্যবহারিক ধাতব লবণ, নিরাপত্তা মানদণ্ড এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের বিস্তারিত বিশ্লেষণ।
ঢাকা, ১৭ অক্টোবর- দেশীয় আতশবাজি শিল্পে রঙিন বিস্ফোরক তৈরির পদ্ধতি সম্প্রতি বিশদভাবে প্রকাশিত হয়েছে। উৎপাদনকারী কারখানা ও কারিগররা কাঁচামাল নির্বাচন, মিশ্রণ এবং গঠন প্রক্রিয়ার মূল ধাপগুলি তুলে ধরেছেন। প্রধান উপাদান হল কালো ধূলা (পাউডার), গ্লাইসার এবং বিভিন্ন ধাতব লবণ। লাল রঙের জন্য স্ট্রন্টিয়াম নাইট্রেট, নীলের জন্য কপার ক্লোরাইড, সবুজের জন্য বেরিলিয়াম নাইট্রেট ব্যবহার করা হয়। এই লবণগুলোকে সূক্ষ্ম গুঁড়ো করে পাউডারের সঙ্গে মিশিয়ে নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রণ তৈরি করা হয়। মিশ্রণকে ছোট ছোট কেসে ঢেলে, আকার গঠন করা হয় এবং পরে জলের স্প্রে বা স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে শুকিয়ে নেওয়া হয়। শুকানোর সময় তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়, যাতে বিস্ফোরকের গুণমান বজায় থাকে। নিরাপত্তা মানদণ্ড মেনে চলা এবং শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক। সম্প্রতি পরিবেশগত উদ্বেগের কারণে কম ধোঁয়া ও কম শব্দযুক্ত আতশবাজি তৈরির গবেষণা বাড়ছে। সরকারিক নিয়মাবলী কঠোর হওয়ায় শিল্পে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও স্বয়ংক্রিয় মিশ্রণ প্রক্রিয়া গ্রহণের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ভবিষ্যতে রঙের বৈচিত্র্য বাড়িয়ে নিরাপদ এবং টেকসই পণ্য বাজারে আনা সম্ভব বলে বিশেষজ্ঞরা আশা প্রকাশ করছেন।

বিষয় : আতশবাজি রঙিন বিস্ফোরক ধাতব লবণ নিরাপত্তা মানদণ্ড পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ শিল্প পায়ে উৎপাদন

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Advance News

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


বিভিন্ন রঙের আতশবাজি তৈরির প্রক্রিয়া ও উপাদান

প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
বাংলাদেশের আতশবাজি শিল্পে রঙিন বিস্ফোরক তৈরির প্রক্রিয়া, ব্যবহারিক ধাতব লবণ, নিরাপত্তা মানদণ্ড এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের বিস্তারিত বিশ্লেষণ।
ঢাকা, ১৭ অক্টোবর- দেশীয় আতশবাজি শিল্পে রঙিন বিস্ফোরক তৈরির পদ্ধতি সম্প্রতি বিশদভাবে প্রকাশিত হয়েছে। উৎপাদনকারী কারখানা ও কারিগররা কাঁচামাল নির্বাচন, মিশ্রণ এবং গঠন প্রক্রিয়ার মূল ধাপগুলি তুলে ধরেছেন। প্রধান উপাদান হল কালো ধূলা (পাউডার), গ্লাইসার এবং বিভিন্ন ধাতব লবণ। লাল রঙের জন্য স্ট্রন্টিয়াম নাইট্রেট, নীলের জন্য কপার ক্লোরাইড, সবুজের জন্য বেরিলিয়াম নাইট্রেট ব্যবহার করা হয়। এই লবণগুলোকে সূক্ষ্ম গুঁড়ো করে পাউডারের সঙ্গে মিশিয়ে নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রণ তৈরি করা হয়। মিশ্রণকে ছোট ছোট কেসে ঢেলে, আকার গঠন করা হয় এবং পরে জলের স্প্রে বা স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে শুকিয়ে নেওয়া হয়। শুকানোর সময় তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়, যাতে বিস্ফোরকের গুণমান বজায় থাকে। নিরাপত্তা মানদণ্ড মেনে চলা এবং শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক। সম্প্রতি পরিবেশগত উদ্বেগের কারণে কম ধোঁয়া ও কম শব্দযুক্ত আতশবাজি তৈরির গবেষণা বাড়ছে। সরকারিক নিয়মাবলী কঠোর হওয়ায় শিল্পে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও স্বয়ংক্রিয় মিশ্রণ প্রক্রিয়া গ্রহণের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ভবিষ্যতে রঙের বৈচিত্র্য বাড়িয়ে নিরাপদ এবং টেকসই পণ্য বাজারে আনা সম্ভব বলে বিশেষজ্ঞরা আশা প্রকাশ করছেন।

Advance News

সংবাদ পরিবেশনার আধুনিক সমাধান

কপিরাইট © ২০২৬ Advance News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত