খাবারের সন্ধানে শিকারের ফাঁদে আটকে পড়া পরিযায়ী পাখির সংখ্যা বেড়ে চলেছে; পরিবেশ সংরক্ষণ সংস্থা ও সরকারী বিভাগ জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।
গত মাসে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি কৃষি অঞ্চলে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে যে, খাবারের সন্ধানে আসা পরিযায়ী পাখি শিকারের ফাঁদে ঝাঁকে ঝাঁকে আটকে পড়ছে। এই ঘটনা স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশ সংরক্ষণ কর্মীদের দৃষ্টিতে পড়েছে।
ফাঁদগুলো মূলত ছোট স্তন্যপায়ী ও পাখি ধরা জন্য স্থাপন করা হয়, তবে পাখিরা খাবার সন্ধানে এই ফাঁদে প্রবেশ করে পা-পা-ফাঁদে আটকে যায়। রেকর্ড অনুযায়ী, গত ছয় মাসে প্রায় দুইশতাধিক পাখি বিভিন্ন প্রজাতি, যার মধ্যে হরিণ-সদৃশ পাখি ও শিকারের পাখি অন্তর্ভুক্ত, ফাঁদে ধরা পড়েছে।
বন্যপ্রাণী অধিদপ্তরের উপদেষ্টা জানান যে, এই ধরণের ফাঁদে পাখির মৃত্যু হার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মাইগ্রেশন পথের স্বাভাবিকতা ব্যাহত হচ্ছে। পরিবেশ সংস্থা "গ্রিন ফিউচার" এর গবেষকও উল্লেখ করেছেন যে, ফাঁদে আটকে থাকা পাখিরা প্রজনন মৌসুমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাই তাদের সুরক্ষা জরুরি।
সরকারি বিভাগ এখন ফাঁদ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি, কৃষকদের বিকল্প শিকার পদ্ধতি ও পাখির জন্য নিরাপদ খাবার সরবরাহের উদ্যোগ চালু করেছে। বিশেষজ্ঞরা আশা প্রকাশ করছেন যে, এই পদক্ষেপগুলো কার্যকর হলে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা পুনরুদ্ধার হবে এবং পরিবেশের সামগ্রিক ভারসাম্য রক্ষা পাবে।
মতামত