যুক্তরাষ্ট্র টোকিওতে মিয়ানমারের সামরিক সরকারের সঙ্গে গোপন বৈঠক করে কূটনৈতিক পদক্ষেপ ও নিষেধাজ্ঞা নীতির পরবর্তী দিক নির্ধারণের চেষ্টা করে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রশ্ন উত্থাপন করে।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কূটনীতিকরা টোকিওতে মিয়ানমারের সামরিক সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেন। বৈঠকে দু'পক্ষের কূটনৈতিক অগ্রগতি, নিষেধাজ্ঞা নীতি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় আলোচনা করা হয়।
মিয়ানমার ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে ব্যাপক বিচ্ছিন্নতা ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র পূর্বে জাপানের সমর্থনে সশস্ত্র বিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে সংলাপ বজায় রাখার কথা জানিয়েছে, তবে এই গোপন বৈঠকটি দুই দেশের কূটনৈতিক সংযোগকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে পরিচালিত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মুখপাত্র বৈঠকের ফলাফলকে "গঠনমূলক" বলে উল্লেখ করেন এবং ভবিষ্যতে মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উন্নয়নের জন্য যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনা প্রকাশ করেন। জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও বৈঠকের গোপনীয়তা বজায় রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দেন, আর মিয়ানমারের প্রতিনিধিরা বৈঠকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও অর্থনৈতিক সহায়তার প্রত্যাশা প্রকাশ করেন।
বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন যে এই গোপন কূটনৈতিক পদক্ষেপ আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও মানবাধিকার সংক্রান্ত জটিল প্রশ্ন উত্থাপন করে, এবং ভবিষ্যতে নিষেধাজ্ঞা নীতি ও কূটনৈতিক সম্পর্কের দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
মতামত