দূর্গা পূজার ষষ্ঠ দিনে বহু শিল্পী এখনও প্রতিমা শেষ করতে ব্যস্ত, রাত জাগিয়ে কাজ চালিয়ে যান, সময়সীমা ও নিরাপত্তা উদ্বেগের মধ্যে উৎসবের প্রস্তুতি ত্বরান্বিত হয়।
দূর্গা পূজার ষষ্ঠ দিনে বহু শিল্পী এখনও প্রতিমা শেষ করতে ব্যস্ত, রাত জাগিয়ে কাজ চালিয়ে যান। শিল্পীরা সীমিত সময়সীমার মধ্যে বিশাল মূর্তি গড়ে তোলার চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, ফলে নির্ঘুম রাতের কাজ স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রতিমা নির্মাণের প্রধান উপকরণ হল মাটি, কাদামাটি ও পলিমার, যেগুলোর গুণগত মান নিশ্চিত করতে বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধান প্রয়োজন। শিল্পীরা প্রায়শই একাধিক কর্মশালায় একসাথে কাজ করেন, যেখানে প্রতিটি দল নির্দিষ্ট অংশের দায়িত্বে থাকে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ার ফলে, শ্রমিকদের সুরক্ষা সরঞ্জাম ও কাজের সময় নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত নজরদারি করা হচ্ছে।
স্থানীয় শিল্প সমিতির প্রতিনিধিরা উল্লেখ করেন, "আমরা সময়মতো কাজ শেষ করতে পারি, তবে নিরাপত্তা মান বজায় রাখতে হবে। অতিরিক্ত কাজের চাপ ও দীর্ঘ সময়ের ঘুমের অভাব স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।" এই উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে, কিছু প্যান্ডুলিপি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ এবং শিফট ব্যবস্থা প্রয়োগ করেছে, যাতে কাজের গতি বজায় থাকে এবং শ্রমিকের স্বাস্থ্যের ঝুঁকি কমে।
উৎসবের দিনগুলোতে পূর্ণাঙ্গ প্রতিমা দর্শকদের সামনে উপস্থাপিত হবে, যা শহরের সাংস্কৃতিক পরিবেশে নতুন রঙ যোগ করবে। যদিও কাজের চাপ এখনও উচ্চ, শিল্পীরা আশা করেন যে শেষ মুহূর্তের পরিশ্রমের ফলস্বরূপ পূজা উত্সবের আভা এবং আধ্যাত্মিক উল্লাস সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে।
মতামত