ঢাকা    শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
Advance News

৮৯ বছর পুরনো ঐতিহাসিক খামার ধ্বংসের মুখে



৮৯ বছর পুরনো ঐতিহাসিক খামার ধ্বংসের মুখে
৮৯ বছর পুরনো ঐতিহাসিক খামার ধ্বংসের মুখে
৮৯ বছর পুরনো ঐতিহাসিক খামার নগর উন্নয়নের চাপের মুখে, স্থানীয় বাসিন্দা ও সংস্থার রক্ষার প্রচেষ্টা, আইনগত বাধা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিশদে উপস্থাপন করা হয়েছে।
ঢাকা বিভাগের এক গ্রামীণ এলাকায় ১৯৩৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ৮৯ বছর পুরনো ঐতিহাসিক খামারটি নগর উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে ভূমি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা প্রকাশের পর ধ্বংসের ঝুঁকিতে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ সংস্থা এই খামারের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যকে তুলে ধরে তার রক্ষার দাবি জানিয়েছে। খামারটি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চালু থাকা কৃষি পদ্ধতি, ঐতিহ্যবাহী গৃহস্থালি সরঞ্জাম এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের সামাজিক জীবনের অংশ হিসেবে বিবেচিত। তবে সম্প্রতি শহরের বিস্তারের জন্য পরিকল্পিত নতুন সড়ক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্রের জন্য জমি বিক্রির চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় মালিকদের উপর চাপ বাড়ছে। সরকারী দপ্তর ও স্থানীয় পরিষদ এখনও এই প্রকল্পের পরিবেশগত ও সাংস্কৃতিক প্রভাব নিয়ে স্পষ্ট নীতি প্রকাশ করেনি। সংরক্ষণ সংস্থা ও কিছু আইনজীবী দল মিলিত হয়ে আদালতে আবেদন দায়ের করে খামারটি ঐতিহ্যবাহী সম্পদ হিসেবে স্বীকৃতি পেতে চায়। তারা দাবি করে যে, যথাযথ গবেষণা ও বিকল্প পরিকল্পনা ছাড়া সরাসরি ধ্বংস করা জাতীয় ঐতিহ্যের ক্ষতি হবে। ভবিষ্যতে যদি বিকল্প স্থান বা পুনর্বাসন পরিকল্পনা গৃহীত না হয়, তবে এই প্রাচীন খামারটি চিরতরে হারিয়ে যেতে পারে।

বিষয় : খামার ঐতিহাসিক কৃষি নগর উন্নয়ন সংরক্ষণ বাংলাদেশ গ্রামীণ ঐতিহ্য

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Advance News

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


৮৯ বছর পুরনো ঐতিহাসিক খামার ধ্বংসের মুখে

প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
৮৯ বছর পুরনো ঐতিহাসিক খামার নগর উন্নয়নের চাপের মুখে, স্থানীয় বাসিন্দা ও সংস্থার রক্ষার প্রচেষ্টা, আইনগত বাধা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিশদে উপস্থাপন করা হয়েছে।
ঢাকা বিভাগের এক গ্রামীণ এলাকায় ১৯৩৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ৮৯ বছর পুরনো ঐতিহাসিক খামারটি নগর উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে ভূমি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা প্রকাশের পর ধ্বংসের ঝুঁকিতে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ সংস্থা এই খামারের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যকে তুলে ধরে তার রক্ষার দাবি জানিয়েছে। খামারটি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চালু থাকা কৃষি পদ্ধতি, ঐতিহ্যবাহী গৃহস্থালি সরঞ্জাম এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের সামাজিক জীবনের অংশ হিসেবে বিবেচিত। তবে সম্প্রতি শহরের বিস্তারের জন্য পরিকল্পিত নতুন সড়ক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্রের জন্য জমি বিক্রির চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় মালিকদের উপর চাপ বাড়ছে। সরকারী দপ্তর ও স্থানীয় পরিষদ এখনও এই প্রকল্পের পরিবেশগত ও সাংস্কৃতিক প্রভাব নিয়ে স্পষ্ট নীতি প্রকাশ করেনি। সংরক্ষণ সংস্থা ও কিছু আইনজীবী দল মিলিত হয়ে আদালতে আবেদন দায়ের করে খামারটি ঐতিহ্যবাহী সম্পদ হিসেবে স্বীকৃতি পেতে চায়। তারা দাবি করে যে, যথাযথ গবেষণা ও বিকল্প পরিকল্পনা ছাড়া সরাসরি ধ্বংস করা জাতীয় ঐতিহ্যের ক্ষতি হবে। ভবিষ্যতে যদি বিকল্প স্থান বা পুনর্বাসন পরিকল্পনা গৃহীত না হয়, তবে এই প্রাচীন খামারটি চিরতরে হারিয়ে যেতে পারে।

Advance News

সংবাদ পরিবেশনার আধুনিক সমাধান

কপিরাইট © ২০২৬ Advance News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত