ঢাকা    শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
Advance News

উত্তরায় পাঁচটি পোশাক কারখানা বন্ধ, শ্রমিকদের বেতন অনিশ্চিত



উত্তরায় পাঁচটি পোশাক কারখানা বন্ধ, শ্রমিকদের বেতন অনিশ্চিত
উত্তরায় পাঁচটি পোশাক কারখানা বন্ধ, শ্রমিকদের বেতন অনিশ্চিত
উত্তরায় পাঁচটি গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি বন্ধ, শত শত শ্রমিক কাজ ও বেতনহীন। অর্ডার ঘাটতি ও কাঁচামাল মূল্যের বৃদ্ধিই মূল কারণ, সরকার তদনুসারে পদক্ষেপ নেবে। শোষণ রোধে তদারকি বাড়বে।
উত্তরায় অবস্থিত পাঁচটি গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি গত সপ্তাহে কার্যক্রম বন্ধ করেছে, ফলে প্রায় এক হাজার দুইশত শ্রমিক কাজ ও বেতনহীন অবস্থায় পড়েছেন। বন্ধের সিদ্ধান্তের মূল কারণ অর্ডার ঘাটতি এবং কাঁচামাল মূল্যের বৃদ্ধিকে নির্দেশ করা হয়েছে। ফ্যাক্টরি মালিকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা হ্রাস এবং রপ্তানি অর্ডারের বিলম্বের ফলে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া আর সম্ভব হয়নি। ফলে কর্মচারীদের বেতন পরিশোধে তহবিলের ঘাটতি দেখা দিয়েছে এবং অবিলম্বে বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শ্রমিক সংগঠন ও ইউনিয়নগুলো অবিলম্বে বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবি জানিয়ে প্রতিবাদসূচক কর্মসূচি চালু করেছে। শ্রমিক অধিকার রক্ষার জন্য শ্রম মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি জানিয়ে তদনুসারে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। গার্মেন্টস খাত বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান চালিকাশক্তি, তবে সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে ব্যাঘাত এবং মূল্যস্ফীতি এই শিল্পকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করছেন, অর্ডার পুনরুদ্ধার এবং উৎপাদন খরচ নিয়ন্ত্রণ না হলে অনুরূপ বন্ধের ঝুঁকি বাড়তে পারে। ভবিষ্যতে অর্ডার পুনরায় বাড়লে ফ্যাক্টরিগুলো পুনরায় চালু হতে পারে, তবে শ্রমিকদের বেতন বকেয়া মেটাতে তহবিলের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং সরকারী সহায়তা প্রয়োজন। শোষণ রোধে তদারকি বাড়বে।

বিষয় : উত্তরা গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি বন্ধ বেতন বকেয়া শ্রমিক সমস্যা গার্মেন্টস শিল্প বাংলাদেশ অর্থনীতি শ্রমিক অধিকার উৎপাদন শৃঙ্খল বেকারত্ব

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Advance News

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


উত্তরায় পাঁচটি পোশাক কারখানা বন্ধ, শ্রমিকদের বেতন অনিশ্চিত

প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
উত্তরায় পাঁচটি গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি বন্ধ, শত শত শ্রমিক কাজ ও বেতনহীন। অর্ডার ঘাটতি ও কাঁচামাল মূল্যের বৃদ্ধিই মূল কারণ, সরকার তদনুসারে পদক্ষেপ নেবে। শোষণ রোধে তদারকি বাড়বে।
উত্তরায় অবস্থিত পাঁচটি গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি গত সপ্তাহে কার্যক্রম বন্ধ করেছে, ফলে প্রায় এক হাজার দুইশত শ্রমিক কাজ ও বেতনহীন অবস্থায় পড়েছেন। বন্ধের সিদ্ধান্তের মূল কারণ অর্ডার ঘাটতি এবং কাঁচামাল মূল্যের বৃদ্ধিকে নির্দেশ করা হয়েছে। ফ্যাক্টরি মালিকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা হ্রাস এবং রপ্তানি অর্ডারের বিলম্বের ফলে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া আর সম্ভব হয়নি। ফলে কর্মচারীদের বেতন পরিশোধে তহবিলের ঘাটতি দেখা দিয়েছে এবং অবিলম্বে বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শ্রমিক সংগঠন ও ইউনিয়নগুলো অবিলম্বে বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবি জানিয়ে প্রতিবাদসূচক কর্মসূচি চালু করেছে। শ্রমিক অধিকার রক্ষার জন্য শ্রম মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি জানিয়ে তদনুসারে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। গার্মেন্টস খাত বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান চালিকাশক্তি, তবে সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে ব্যাঘাত এবং মূল্যস্ফীতি এই শিল্পকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করছেন, অর্ডার পুনরুদ্ধার এবং উৎপাদন খরচ নিয়ন্ত্রণ না হলে অনুরূপ বন্ধের ঝুঁকি বাড়তে পারে। ভবিষ্যতে অর্ডার পুনরায় বাড়লে ফ্যাক্টরিগুলো পুনরায় চালু হতে পারে, তবে শ্রমিকদের বেতন বকেয়া মেটাতে তহবিলের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং সরকারী সহায়তা প্রয়োজন। শোষণ রোধে তদারকি বাড়বে।

Advance News

সংবাদ পরিবেশনার আধুনিক সমাধান

কপিরাইট © ২০২৬ Advance News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত