ঢাকা    শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
Advance News

উৎসবের আনন্দে থাকুক হেমকণা পায়েস



উৎসবের আনন্দে থাকুক হেমকণা পায়েস
উৎসবের আনন্দে থাকুক হেমকণা পায়েস

পায়েস বাঙালির চিরকালীন প্রিয় মিষ্টি। উৎসব, পূজা কিংবা বিশেষ কোনও দিনে পায়েস ছাড়া যেন মিষ্টিমুখের পর্ব সম্পূর্ণ হয় না। চেনা পায়েসের স্বাদে একটু নতুনত্ব আনতে বানিয়ে নিতে পারেন হেমকণা পায়েস। ঘন দুধ, খোয়া ক্ষীর, আমন্ড, কাজু আর জাফরানের সুগন্ধে তৈরি এই পদ স্বাদে যেমন অনন্য, তেমনই পরিবেশনেও আকর্ষণীয়। ঠান্ডা অবস্থায় খেতে বেশি ভালো লাগে এই পায়েস। বাড়িতে সহজেই কীভাবে বানাবেন এই বিশেষ পদ, জেনে নিন রেসিপি।

খোয়া ক্ষীর আধ কাপ, চালের মিহি গুঁড়ো ৬ টেবিল চামচ, খোসা ছাড়ানো আমন্ড ও কাজু ৬ টেবিল চামচ, মিহি চিনি ১ কাপ বা স্বাদমতো, দুধ ১ লিটার এবং অল্প পরিমাণে জাফরান।

প্রথমে খোয়া ক্ষীর ও আমন্ড-কাজু আলাদা করে মিহি গুঁড়ো করে নিন। একটি পাত্রে খোয়া ক্ষীরের গুঁড়ো, বাদামের গুঁড়ো, চালের গুঁড়ো এবং ১ টেবিল চামচ মিহি চিনি একসঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। প্রয়োজনে সামান্য পানি দিয়ে মিশ্রণটি নরম ডো তৈরি করুন।

এবার সেখান থেকে ছোট ছোট গোলা তৈরি করুন। গোলাগুলির গায়ে যেন কোনও ফাটল না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখুন। গোলাগুলি যত মসৃণ হবে, পায়েসে তত সুন্দর দেখাবে।

অন্যদিকে, একটি ভারী তলার পাত্রে দুধ নিয়ে মাঝারি আঁচে ফুটতে দিন। দুধ ফুটে উঠলে আঁচ কমিয়ে ধীরে ধীরে জ্বাল দিতে থাকুন, যতক্ষণ না দুধের পরিমাণ প্রায় অর্ধেক হয়ে আসে। দুধ ঘন হয়ে এলে চিনি ও জাফরান দিয়ে ভালোভাবে নাড়ুন।

এরপর তৈরি করে রাখা ছোট ছোট গোলাগুলি সাবধানে ঘন দুধের মধ্যে দিয়ে দিন। কম আঁচে প্রায় পাঁচ মিনিট রান্না করুন, যাতে গোলাগুলি নরম হয়ে যায়। এ সময় খুব বেশি নাড়াচাড়া করবেন না, তাতে গোলাগুলি ভেঙে যেতে পারে।

পায়েস তৈরি হয়ে গেলে আঁচ বন্ধ করে ঠান্ডা হতে দিন। ঠান্ডা হলে পায়েস আরও কিছুটা ঘন হবে। তাই রান্নার সময় অতিরিক্ত ঘন করে ফেলবেন না। ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন সুস্বাদু হেমকণা পায়েস।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Advance News

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬


উৎসবের আনন্দে থাকুক হেমকণা পায়েস

প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

পায়েস বাঙালির চিরকালীন প্রিয় মিষ্টি। উৎসব, পূজা কিংবা বিশেষ কোনও দিনে পায়েস ছাড়া যেন মিষ্টিমুখের পর্ব সম্পূর্ণ হয় না। চেনা পায়েসের স্বাদে একটু নতুনত্ব আনতে বানিয়ে নিতে পারেন হেমকণা পায়েস। ঘন দুধ, খোয়া ক্ষীর, আমন্ড, কাজু আর জাফরানের সুগন্ধে তৈরি এই পদ স্বাদে যেমন অনন্য, তেমনই পরিবেশনেও আকর্ষণীয়। ঠান্ডা অবস্থায় খেতে বেশি ভালো লাগে এই পায়েস। বাড়িতে সহজেই কীভাবে বানাবেন এই বিশেষ পদ, জেনে নিন রেসিপি।

খোয়া ক্ষীর আধ কাপ, চালের মিহি গুঁড়ো ৬ টেবিল চামচ, খোসা ছাড়ানো আমন্ড ও কাজু ৬ টেবিল চামচ, মিহি চিনি ১ কাপ বা স্বাদমতো, দুধ ১ লিটার এবং অল্প পরিমাণে জাফরান।

প্রথমে খোয়া ক্ষীর ও আমন্ড-কাজু আলাদা করে মিহি গুঁড়ো করে নিন। একটি পাত্রে খোয়া ক্ষীরের গুঁড়ো, বাদামের গুঁড়ো, চালের গুঁড়ো এবং ১ টেবিল চামচ মিহি চিনি একসঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। প্রয়োজনে সামান্য পানি দিয়ে মিশ্রণটি নরম ডো তৈরি করুন।

এবার সেখান থেকে ছোট ছোট গোলা তৈরি করুন। গোলাগুলির গায়ে যেন কোনও ফাটল না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখুন। গোলাগুলি যত মসৃণ হবে, পায়েসে তত সুন্দর দেখাবে।

অন্যদিকে, একটি ভারী তলার পাত্রে দুধ নিয়ে মাঝারি আঁচে ফুটতে দিন। দুধ ফুটে উঠলে আঁচ কমিয়ে ধীরে ধীরে জ্বাল দিতে থাকুন, যতক্ষণ না দুধের পরিমাণ প্রায় অর্ধেক হয়ে আসে। দুধ ঘন হয়ে এলে চিনি ও জাফরান দিয়ে ভালোভাবে নাড়ুন।

এরপর তৈরি করে রাখা ছোট ছোট গোলাগুলি সাবধানে ঘন দুধের মধ্যে দিয়ে দিন। কম আঁচে প্রায় পাঁচ মিনিট রান্না করুন, যাতে গোলাগুলি নরম হয়ে যায়। এ সময় খুব বেশি নাড়াচাড়া করবেন না, তাতে গোলাগুলি ভেঙে যেতে পারে।

পায়েস তৈরি হয়ে গেলে আঁচ বন্ধ করে ঠান্ডা হতে দিন। ঠান্ডা হলে পায়েস আরও কিছুটা ঘন হবে। তাই রান্নার সময় অতিরিক্ত ঘন করে ফেলবেন না। ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন সুস্বাদু হেমকণা পায়েস।


Advance News

সংবাদ পরিবেশনার আধুনিক সমাধান

কপিরাইট © ২০২৬ Advance News । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত