কানাডার ক্যালগেরিতে মহালয়া উদযাপনের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসবের আগমনী বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে ক্যালগেরি বঙ্গীয় পরিষদ। এ উপলক্ষে টানা পঞ্চম বছরের মতো সংগঠনটি আয়োজন করে গীতি-নৃত্য-আলেখ্য ‘মহিষাসুরমর্দিনী’। সংগীত, স্তোত্রপাঠ ও নৃত্যের সমন্বয়ে পরিবেশিত এ আয়োজনে তুলে ধরা হয় সনাতন ধর্মের ঐতিহ্য, দেবী দুর্গার মাহাত্ম্য এবং শুভশক্তির বিজয়ের বার্তা।
অনুষ্ঠানে বেদ, উপনিষদ ও পুরাণ থেকে নির্বাচিত বিভিন্ন বিষয় এবং শারদীয় দুর্গোৎসবের ইতিহাস ও তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। গীতি-নৃত্য-আলেখ্যের মাধ্যমে অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভশক্তির সংগ্রাম, অন্ধকার থেকে আলোর পথে উত্তরণ এবং জ্ঞান ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠার চিরন্তন বাণী উপস্থাপন করা হয়।
‘মহিষাসুরমর্দিনী’ গীতি-নৃত্য-আলেখ্য গ্রন্থনা করেন অধ্যাপক শেখর কুমার সান্যাল। উপস্থাপনায় ছিলেন মহুয়া চ্যাটার্জী ও বীণাপাণি মুখার্জী। স্তোত্র ও চণ্ডীপাঠ করেন অধ্যাপক শেখর সান্যাল ও ড. রীতা কর্মকার। সংগীত পরিচালনা করেন ড. রীতা কর্মকার। নৃত্য পরিচালনা ও নৃত্য পরিকল্পনায় ছিলেন চন্দ্রিমা ঐশী।
কণ্ঠসংগীতে অংশ নেন শাপলা রায়, মাধবী রায়, সুবর্ণশ্রী ঘোষ দত্ত, সুপ্রিয়া দে, রুম্পা সেনগুপ্তা, অপর্ণা দাস, গার্গী রায়, চম্পা সেন, চন্দ্রিমা ঐশী, শ্রাবস্তী নন্দী, সায়নী সাহা, পিয়া গায়েন, প্রজ্ঞা রায়, সুপর্ণা দাস, আদ্রিকা মুহুরী, জীবন দাস, খোকন সিকদার, পিনাক দে, রাতুল চক্রবর্তী, খোকন দেবনাথ ও ড. রীতা কর্মকার।
তবলা ও মন্দিরা বাদনে অংশ নেন সঞ্জয় মল্লিক ও অজিত মুহুরী। শঙ্খধ্বনি করেন মৌসুমী ব্যানার্জী। কয়েকটি গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেন লিডিয়া সাহা, আর্যা তালুকদার, বৃন্দা দে ও প্রার্থনা দত্ত। শব্দ ব্যবস্থাপনায় ছিলেন খোকন দেবনাথ, তীর্থদীপ সান্যাল ও অরিন্দম তালুকদার।
এদিকে, প্রতিবছরের মতো এবারও কানাডার ক্যালগেরিতে ক্যালগেরি বঙ্গীয় পরিষদ, আমরা সবাই ও বাংলাদেশ পূজা পরিষদ পৃথক পৃথক স্থানে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করবে।
বিডি প্রতিদিন/এনআরএইচ
মতামত